পোস্টগুলি

অক্টোবর, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Featured Post

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছবি
  সম্পাদকীয় ছোট্ট বন্ধুরা, কেমন আছো সবাই? পুজোর ছুটি শেষে স্কুল যাওয়া আসা শুরু হয়েছে তোমাদের। বছরের শেষ দিকে পড়াশুনার একটা নতুন উদ্যম  শুরু হয়েছে আশা করি।  শরত শেষে হেমন্তের হাত ধরে ধীরে ধীরে শীতের আগমন ঘটছে। একটু একটু করে শীতের পোশাক চড়াতে হচ্ছে গায়ে। হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে সোনালী ধানের মাঠে মন চুরি যায়। ভোরের কুয়াশায় জড়িয়ে থাকে রাতের স্মৃতি।সকালে শিশিরের স্নাত ঘাসের উপর  পা দিলেই শিহরণ লাগে। শীত আসছে মানেই তো খেজুরের রস,নলেন গুড়। সারা বছর যেন আমরা মুখিয়ে থাকি তাই না? ঋতু যাওয়া আসার মাঝের সময়টাও বেশ মজাদার। বসন্তের মতো হেমন্তও ক্ষণস্থায়ী। যাওয়ার আগে মন উদাস করে দিয়ে যায়। নীল আকাশ আর বাতাসের স্নিগ্ধতায় মন কেমন করা ভাব আসে । মাঠে তখন সোনালী ধানের শীষ দোলে।কৃষকরা ব্যস্ত থাকে ধান কাটায়। চারদিকে ফসলের ঘ্রাণে ভরে ওঠে গ্রামবাংলা। তবে এই ঋতু পরিবর্তনের সময় সাবধানে থেকো সবাই। শরীরের যত্ন নিও।  আগামী শীতে  নবান্ন,পৌষপার্বণের মতো উৎসব অপেক্ষা করে আছে। সেই আনন্দে অবগাহনের আগে পরীক্ষা প্রস্তুতিও সেরে নিতে হবে। তাই না? আর সঙ্গে তো তোমাদের প্ৰিয় কিশলয় প...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন :

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪৭ অক্টোবর, ২০২৫

ছবি
    সম্পাদকীয় প্রিয় বন্ধুরা, পুজো শেষ! ঢাকের আওয়াজ থেমে গেছে, প্যান্ডেলগুলো ভাঙছে, বিজয়া শেষে একটু মনখারাপ হলেও পুরোপুরি আনন্দের রেশ কাটেনি। নতুন জামাগুলো আলমারিতে, ফুচকার স্বাদ এখনও জিভে, আর মনে এখনো সদ্য মজার দিনগুলোর রেশ! পুজো শেষ মানেই কিন্তু মন খারাপ নয়—কারণ সামনে আরও অনেক মজার দিন বাকি! এই মাসেই আসে কালী পুজো, দীপাবলি আর ভাইফোঁটা। অক্টোবর মানেই শরতের নীল আকাশ, সাদা মেঘ আর হালকা ঠান্ডা হাওয়া। অনেকে বেড়াতে গেছো, মজা করেছো। এখন সময় আবার নতুন করে শুরু করার—স্কুলে ফেরা, বন্ধুদের আড্ডা, পড়াশোনার মাঝে খানিকটা হাসি-মজা। পুজোর আনন্দের মতোই আমাদের মনটাও থাকুক রঙিন আর উজ্জ্বল। তবে বিভিন্ন জায়গায় বন্যার জন্য মনটা একটু খারাপ। প্রকৃতির কাছে আমরা অসহায়। অথচ সেই প্রকৃতির জন্য আমরা অনেকেই ভাববার সময় পাই না। প্রকৃতিকে ভালোবাসলে তবেই না আমরা প্রকৃতির ভালোবাসা পাবো! এই সংখ্যায় পাবে ভ্রমনের গল্প, মজার গল্প, ছড়া, কবিতা, প্রবন্ধ আর তোমাদেরই আঁকা ছবি। পড়ে ফেলো, মজা করো, আর পরের সংখ্যার জন্য তোমার লেখাটাও পাঠিয়ে দিও। তাহলে চল, পুজোর আনন্দটুকু সঙ্গে নিয়ে শুরু হোক নতুন উদ্যমের আগা...

শিশু-কিশোর ভ্রমণ উপন্যাস ।। তিতলির বিশ্বভ্রমণ (তৃতীয় পর্ব)।। অরুণ চট্টোপাধ্যায়

ছবি
  তিতলির বিশ্বভ্রমণ (তৃতীয় পর্ব)  অরুণ চট্টোপাধ্যায়     বিশ্বপরিক্রমা   এক গিরিরাজের ডাক   -আফ্রিকা যেতে গেলে তো গিরিরাজকে ডিঙ্গোতেই হবে গো তিতিলিদিদি।  হাতিদাদার কথায় চমকে উঠল সবাই। তিতলি তো বটেই পুচকিও। সে কম কথা বলে তবে কৌতূহল বেশি। জিজ্ঞেস করল, গিরিরাজ কোন দেশের রাজা গো হাতিদাদা? চনমন করে অমনি হেসে উঠল তিতলি, তুই একটা আস্ত বোকারাম পুচু। গিরি মানে জানিস না? বকুনি খেয়ে মুখ গোমড়া করে চুপ করে রইল পুচকি খানিক। তারপর বলল, জানব না কেন? জানি তো। গিরি মানে হল পাহাড়।  তিতলি সবজান্তার হাসি হেসে বলল, পাহাড় নয় পাহাড় নয় পর্বত রে পর্বত। ফ্যালফ্যাল করে দিদির দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে পুচকি বলল, দুটো আলাদা বুঝি? দাদু এতক্ষণ মুচকি হাসছিল। এবার বলল, বোনকে পার্থক্যটা বুঝিয়ে দাও তো দিদি? আর দিদি ততক্ষণে যেন দিদিমনি হয়ে উঠেছে দিব্বি। ভারিক্কি চালে তিতলি বলল, শোন তবে পুচু। পাহাড় হল ছোটখাট। আকারেও যেমন ছোট উচ্চতাতেও তেমন খাটো। আর লম্বাতেও।  -লম্বা? পাহাড় আবার লম্বা হয় নাকি দিদি? সে কি মানুষ? -মানুষ নয় বলে কি আর কেউ লম্বা হয় না? গাছপালার কথাই ধর না। বেশ কিছুক...

ছোটদের আঁকিবুঁকি ।। কিশলয় মাসিক পত্রিকা ।। সপ্তচত্বারিংশ সংখ্যা ।। অক্টোবর ২০২৫

ছবি
  আয়ুস্মিতা সামন্ত   সরস্বতী শিশু মন্দির, শরৎ পল্লী, মেদিনীপুর  দ্বিতীয় শ্রেণী  _______________________________________________________________________________________         প্রিয়ব্রত চক্রবর্তী পঞ্চম শ্রেণী, বর্ধমান সি এম এস হাই স্কুল, বি সি রোড, বর্ধমান।  ______________________________________________________________________________________    

গল্প ।। পুটকির কাঠবিড়ালি ।। চন্দ্রমা মুখার্জী

ছবি
পুটকির কাঠবিড়ালি চন্দ্রমা মুখার্জী     পুটকিকে মনে আছে তোমাদের? আরে সেই বাচ্চা মেয়েটা যাকে তার মামা পুটকিপুলি বলে ডাকত। না না, আমরা তাকে সে নামে ডাকব না। সে এখন অনেক বড় হয়েছে তাকে পুটকিপুলি বললে সে ভীষণ রাগ করবে। আমরা তাকে তার ভালনাম মেঘনা না ডেকে তার ডাকনাম পুটকি বলেই ডাকব।           পুটকির আগের গল্পদুটো জানো তো তোমরা? সেই শিমুলতলা গিয়ে খরগোশ আর নারায়ণচক গিয়ে টিয়াপাখি আনা? তো এইবার আমি পুটকি কি করে কাঠবিড়ালি পেলো সে গল্প বলব।           এই শীতের ছুটিতে পুটকি ওর বাবার বন্ধু অমিতকাকুর বাড়ি গিয়েছিল। অমিতকাকুর বাড়ি আমেদাবাদ। খুব সুন্দর, শান্ত আর পরিষ্কার জায়গা। অমিতকাকুর বাড়ি ঠিক আমেদাবাদ শহরে নয়, একটু এগিয়ে গিয়ে গান্ধীনগরের কাছে। সেই জায়গাটা আরও পরিষ্কার। প্রচুর গাছপালা আছে চারপাশে। আর আছে গাছে গাছে প্রচুর পাখি আর কাঠবিড়ালি। এই কাঠবিড়ালির সাথে পুটকির কি করে বন্ধুত্ব হল সেই গল্পই এবার বলব।           ২৪শে ডিসেম্বর রাতে...

গল্প ।। মেজমামা আর রোবু ।। অঞ্জনা মজুমদার

ছবি
মেজমামা আর রোবু অঞ্জনা মজুমদার    বিনু তিন্নি ভাইবোন,মামাবাড়িতে থাকে। আর থাকে বড়মামু, মেজমামা, দাদুভাই আর দিদুন, ভুলু কুকুর আর মিনি বেড়ালও। সেদিন বিনুর মেজমামা সাম্যব্রত ল্যাবরেটরি থেকে একটি বাচ্চা ছেলেকে নিয়ে ডিনার টেবিলে এলেন।  দিদুন বললেন, সমু এটি কে?  কখন এলো? মেজমামা মুচকি হেসে বললেন, এ হল রোবু।  রোবু হাত জোড় করে বলল, প্রণাম দাদুভাই, প্রণাম দিদুন,প্রণাম বড়মামু। বড়মামু বললেন, তোমার বাড়ি কোথায়?  রোবু বলল, এটাই তো আমার বাড়ি। দিদুন বললেন, ঠিক আছে। এসো আগে তো খেতে বসো। সমু তুইও বোস্ বাবা। সারাদিন তো ওই পরীক্ষাঘর থেকে বেরোলি না। কিচ্ছু খাওয়া হয়নি। মেজমামা রোবুকে পাশে নিয়ে খেতে বসলেন।  ডিনারে আজ ভাত আর চিলি চিকেন। পরে আইসক্রিম আর রসগোল্লাও আছে।  মেজমামা সানন্দে খেতে শুরু করলেন। রোবু প্লেটে খাবার নিয়ে নাড়াচাড়া করছে। দিদুন বললেন, কি হল রোবু?  তুমি কিছু খাচ্ছ না?  রোবু বলল, আসলে আমি তো এসব খাই না। সবাই অবাক!  বিনু, তিন্নি একসাথে বলল, তুমি কি চিকেন খাও না?  বড়মামু বললেন, এটা বোনলেশ। তোমার কোনও অসুবিধা হবে না।  মেজমামা খেতে খেতেই...

গল্প ।। আলোয় ফেরা ।। অর্পিতা মল্লিক

ছবি
আলোয় ফেরা অর্পিতা মল্লিক  ফুলের মতো সুন্দর ফুটফুটে দুই মেয়ে রুম্পি আর পম্পিকে নিয়ে সুখের সংসার কণিকা ও সুজনের। শহরতলীর এক আবাসনের আট তলায় নিজেদের সাজানো গোছানো ফ্ল্যাটে রোজকার কর্মব্যস্ততার মধ্যেও পারস্পরিক নির্ভরতা , টান-- সুগন্ধি ফুলের গন্ধর মতো লেগে থাকতো সবসময় ।রুম্পি ক্লাস এইটে পড়ে ,ওর আঁকার হাত দারুন , একটু ছটফটে তবে অঙ্কভীতি কিছুতেই যায় না।পম্পি উচ্চ মাধ্যমিক দিয়েছে। ছোট থেকেই লেখাপড়ায় খুব‌ই ভালো, গানের গলাও ভালো -- এখন পড়াশোনার চাপে বিরতি নিয়েছে কিছুদিনের জন্য।ওর ডাক্তার হবার ইচ্ছে তাই 'নিট' পরীক্ষা দিয়েছে।  কণিকা সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা , ওর স্কুলটা ওদের বাড়ি থেকে দুরে হবার কারণে সংসার, মেয়েদের বেশি সময় দিতে পারে না সেকারণে মনোকষ্টে ভোগে। ওদের বাবা সুজন হাসিখুশি দায়িত্ববান , এককথায় 'পারফেক্ট ফ্যামিলি ম্যান'। নিজের অফিস সামলে মেয়েদের সময় দেন। এভাবেই বাবা মা নিজেদের দায়িত্ব ভাগ করে ঘর সংসারে ভারসাম্য রেখে চলছিল। পম্পির পরে রুম্পি হলে আত্মীয় স্বজন বলেছিল ,"আবার মেয়ে হলো , এবার দুবোনের খুব চুলোচুলি হবে"-- কিন্তু তা নস্...

প্রবন্ধ ।। হিন্দু শাস্ত্রে মা দুর্গা ও তার পরিবার এবং তার বাহনদের গুরুত্ব ।। অভিজিৎ দত্ত

ছবি
  হিন্দু শাস্ত্রে মা দুর্গা ও তার পরিবার এবং তার বাহনদের গুরুত্ব  অভিজিৎ দত্ত  বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব। সারা বছর ধরে ভক্তরা অপেক্ষা করে মা কবে আসবে মর্তে।এই দুর্গোৎসব নিয়ে নানা কাহিনী প্রচলিত আছে। কেউ বলে দুর্গম বলে অসুরকে বধ করার জন্য মা এর নাম দুর্গা।আবার কেউ বলে মা দুর্গতি নাশ করে বলে তার নাম দুর্গা।পর্বে বসন্তকালে মা এর পুজো হত বলে নাম হয়েছিল বাসন্তী পূজো।পরে রাবণকে বধ করার জন্য ও মায়ের কৃপা পাবার জন্য অকালবোধন করেন শরৎকালে। তখন থেকেই মা এর পুজো শরৎকালে চালু হয়।এখন প্রশ্ন হচ্ছে মহামায়ার পুজো আমরা করি কেন? জগতে আমরা সকলেই মায়ার দ্বারা আচ্ছন্ন। এই মায়ার হাত থেকে মুক্তির জন্যই মহামায়ার আরাধনা করা হয়।মানুষ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জীব অথচ ছটি রিপুর(কাম,ক্রোধ, লোভ,অহংকার, মোহ ও পরশ্রীকাতরতা) দ্বারা চালিত। এই ছটি রিপুর হাত থেকে উদ্ধারের জন্যই মহামায়ার আরাধনা।মানুষ ধর্ম পালন করলেও ধর্মের মূল অর্থ না বোঝার জন্য আজ মানুষের এত সমস্যা।ধর্মের মূল কথা অন্তরকে পবিত্র করা।এটা না করতে পারলে ধর্ম পালন হয় না।আমরা বিভিন্ন সময় নানা কুসংস্কারের দ্বারা চালিত হয়। এইজন্য আ...

গল্প।। বাবলির বিভ্রান্তি ।। শংকর ব্রহ্ম

ছবি
       বাবলির বিভ্রান্তি শংকর ব্রহ্ম বাবলির পাঁচ বছর বয়সের জন্মদিনে বাবা তাকে একটা বাররি-ডল পুতুল কিনে উপহার দিয়েছিল। এবার ২৫শে বৈশাখ তার ছয় বছর পূর্ণ হবে। নার্সারি থেকে ক্লাস ওয়ানে উঠেছে সে। বাররি-ডল পুতুলটাকে বাবলি খুব ভালবাসে। তাকে কাছে নিয়ে রাতে মায়ের পাশে ঘুমায়। মা সকালে সবার আগে ওঠেন। সেদিন সকালে উঠতে বাবলির একটু দেরি হয়ে যাওয়ায়, সে দেখে পুতুলটা বিছানার পাশে নেই। ঘটে এক আশ্চর্য কান্ড। পুলুলটা খাবার টেবিলে বসে তার দুধ রুটি খাচ্ছে। সে চোখ কচলে নিয়ে আবার টেবিলের দিকে তাকায়। হ্যাঁ সে ঠিকই দেখছে। পুতুলটা বিছানা থেকে নেমে গিয়ে খাবার টেবিলে বসে তারই দুধ রুটি খাচ্ছে। বাবলি বিছানা থেকেই হাক ছাড়ে, কিরে তুই টেবিলে বসে কি করছিস? বাররি-ডল কোনও উত্তর দেয় না। এক মনে খেতেই থাকে।  - কানে যাচ্ছে না আমার কথাট? বাবলি খিঁচিয়ে ওঠে। এবার পুতুলটা মুখ তুলে তাকায়, বাবলিকে বলে, দেখছো না কি করছি? - দেখছি তো। তুই আমার দুধ রুটি খাচ্ছিস কেন? - তোমার হবে কেন? আমার খাবার আমি খাচ্ছি। - তোর খাবার? - হুম। - তুই কোনদিন এসব খাস? - খাই তো। - মিথ্যে কথা। দাঁড়া মাকে ডাকি। - ডাকো।   ...

ছড়া ।। সেদিন ভোরে ।। বদ্রীনাথ পাল

ছবি
সেদিন ভোরে  বদ্রীনাথ পাল সেদিন ভোরে তারস্বরে শেয়ালদহের শেয়াল- সা রে গা মা সুরে জোরে উঠলো গেয়ে খেয়াল। সে সুর শুনে গুনে গুনে বাগেরহাটের বাঘ- পাঁচটা এসে হাজির হলো ত্যাগ করে সব রাগ। বকখালিতে বক উড়লো মেললো সাদা ডানা- সোঁদরবনে রইলোনা কেউ করবে তারে মানা ! বৈঁচিপোতার সেই বেচারাম কানে গুঁজে তুলো- হুড়মুড়িয়ে ছুট লাগালো উড়িয়ে পথের ধুলো ! বলবো কি আর, নেইকো বলার সেই ঐকতানে- দাদুর আমার ভাব উঠলো, তুললো তুফান প্রাণে। সুরের মায়া তালের ছায়া তাকে টেনে নিয়ে- হাজির হলো সোজা ওরা চাঁদের দেশে গিয়ে ! __________________________________     বদ্রীনাথ পাল বাবিরডি, জেঃ-পুরুলিয়া। [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

ছড়া ।। তিনি আমার শিক্ষাগুরু ।। ইলিয়াস পাটোয়ারী

ছবি
  তিনি আমার শিক্ষাগুরু  ইলিয়াস পাটোয়ারী  যে করেছেন জ্ঞানের আলো এই আমাকে দান যিনি আমার জ্ঞানের প্রদীপ  আমার প্রাণের প্রাণ- আলো কালো, মন্দ ভালো  শিখলাম কাছে যাঁর  দূর করেছেন যিনি আমার  মনের অন্ধকার- কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক কীসে শান্তি সুখ  কী করলে হয় আলোকিত  বিশ্ব লোকে মুখ- কী করলে যায় মানুষ হওয়া  মানব মনে স্থান  যায় পাওয়া যায় সে শিক্ষাও  করলেন যিনি দান- তিনি আমার শিক্ষাগুরু  শ্রদ্ধা সবিশেষ  তাঁর অবদান লিখে করা  যায় না কভু শেষ।  _________________________    এয়ার আলী মসজিদ বাই লেন, কমার্স কলেজ রোড,  মতিয়ার পুল, চট্টগ্রাম-৪১০০, বাংলাদেশ। [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

সূচিপত্র

আরও দেখান

সপ্তাহের পছন্দ

ছড়া ।। শিকার ধরে ব্যাঙ ।। রানা জামান

কবিতা ।। ভারতের জাতীয় ফল ।। আনন্দ বক্সী

ছড়া ।। সোনা ব্যাঙের বিয়ে ।। সামসুন্নাহার ফারুক

প্রবন্ধ ।। হিন্দু শাস্ত্রে মা দুর্গা ও তার পরিবার এবং তার বাহনদের গুরুত্ব ।। অভিজিৎ দত্ত

কবিতা ।। ভালবাসার দেশ ।। তপন মাইতি

কবিতা ।। বকবক ।। সুশান্ত সেন

ছড়া ।। মোটা মুটি ।। নজমুল ইসলাম খসরু

গল্প ।। আলোয় ফেরা ।। অর্পিতা মল্লিক

ছড়া ।। শুকনো মুড়ি ।। সুব্রত দেবনাথ

ছড়া ।। তানবাবুর কান মলা ।। জয়শ্রী সরকার

মাসের পছন্দ

কবিতা ।। ভারতের জাতীয় ফল ।। আনন্দ বক্সী

কবিতা ।। সুরকার পঞ্চম ।। আনন্দ বক্সী

কবিতা ।। ভারতের মানিক ।। আনন্দ বক্সী

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সুচিপত্র ।। 37th issue: December 2024

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। 20th issue: May 2023

ছড়া ।। আমাদের রবি ।। অজিত কুমার জানা

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছড়া ।। ভরা বর্ষায় ।। আসগার আলি মণ্ডল

ক্যুইজ, ধাঁধা, শব্দখেলা, 20th issue: May 2023,

ছড়া।। পাখপাখালির মেলা ।। চন্দন মিত্র

অতি প্রিয়

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। আত্মপ্রকাশ সংখ্যা ।। অক্টোবর ২০২১

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। দ্বিতীয় সংখ্যা ।। নভেম্বর ২০২১

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 4th issue: January 2022,

নিবন্ধ ।। শিশু-কিশোর সাহিত্যবলয়ে শিশুরাই যেন ব্রাত‍্য না থাকে ।। অরবিন্দ পুরকাইত

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 7th issue: April 2022

নিবন্ধ ।। দেশীয় উদ্ভিদ কেন গুরুত্বপূর্ণ ? ।। ডঃ চিত্তরঞ্জন দাস

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১১ ।। আগস্ট ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১০ ।। জুলাই ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র : 8th issue: May 2022

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১২ ।। সেপ্টেম্বর ২০২২