পোস্টগুলি

2022 থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Featured Post

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছবি
  সম্পাদকীয় ছোট্ট বন্ধুরা, কেমন আছো সবাই? পুজোর ছুটি শেষে স্কুল যাওয়া আসা শুরু হয়েছে তোমাদের। বছরের শেষ দিকে পড়াশুনার একটা নতুন উদ্যম  শুরু হয়েছে আশা করি।  শরত শেষে হেমন্তের হাত ধরে ধীরে ধীরে শীতের আগমন ঘটছে। একটু একটু করে শীতের পোশাক চড়াতে হচ্ছে গায়ে। হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে সোনালী ধানের মাঠে মন চুরি যায়। ভোরের কুয়াশায় জড়িয়ে থাকে রাতের স্মৃতি।সকালে শিশিরের স্নাত ঘাসের উপর  পা দিলেই শিহরণ লাগে। শীত আসছে মানেই তো খেজুরের রস,নলেন গুড়। সারা বছর যেন আমরা মুখিয়ে থাকি তাই না? ঋতু যাওয়া আসার মাঝের সময়টাও বেশ মজাদার। বসন্তের মতো হেমন্তও ক্ষণস্থায়ী। যাওয়ার আগে মন উদাস করে দিয়ে যায়। নীল আকাশ আর বাতাসের স্নিগ্ধতায় মন কেমন করা ভাব আসে । মাঠে তখন সোনালী ধানের শীষ দোলে।কৃষকরা ব্যস্ত থাকে ধান কাটায়। চারদিকে ফসলের ঘ্রাণে ভরে ওঠে গ্রামবাংলা। তবে এই ঋতু পরিবর্তনের সময় সাবধানে থেকো সবাই। শরীরের যত্ন নিও।  আগামী শীতে  নবান্ন,পৌষপার্বণের মতো উৎসব অপেক্ষা করে আছে। সেই আনন্দে অবগাহনের আগে পরীক্ষা প্রস্তুতিও সেরে নিতে হবে। তাই না? আর সঙ্গে তো তোমাদের প্ৰিয় কিশলয় প...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন :

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১৫।। ডিসেম্বর ২০২২

ছবি
সম্পাদকীয় সবে শীত পড়তে শুরু করেছে এখন। তোমাদের পরীক্ষাও শেষ। সামনেই বড়দিনের ছুটি। শীতের মজার দিনগুলি হাজির। পিকনিক, বড়দিনের কেক খাওয়া, ঘুড়ি ওড়ানো, চিড়িয়াখানায় ঘুরতে যাওয়া, নলেন গুড়ের পিঠে-পুলি খাওয়া, কত কী! গ্রামে যারা আছো, তাদের এখন নবান্ন উৎসব। কতরকম খাওয়া-দাওয়া, মাঠে কাশফুল পোড়ানো। আরও আছে, মুঠ পুজো, ইতু পুজো। সামনে আসছে মকর সংক্রান্তির মেলা, ঘুড়ি উৎসব। এখন শুধু আনন্দ আর খাওয়া-দাওয়ার দিন।  তবে যারা খুব গরীব, যাদের শীতের পোশাক নেই, তাদের ভারি কষ্ট এই শীতে। তোমার চেনা কেউ এমন থাকলে বাবা মাকে জানিয়ে তাদের জন্য তোমার পুরানো শীতের পোশাক থাকলে দিও , পারলে নূতন পোশাক কিনে দিও। অবশ্যই তার আগে জেনে নেবে, তাঁরা তা নিতে আগ্রহী কিনা। দেখবে এতে তোমার আনন্দ আরও খানিকটা বেড়ে যাবে। পড়াশোনার অবসরে নতুন কিশলয়ের সাথে শীতের আমেজেটাকে জমিয়ে উপভোগ করো। শীতে ঠাণ্ডা লাগিও না যেন। সকলে ভালো থাকো, সুস্থ থাকো। কিশলয়ে লেখা আঁকা পাঠিও।   শুভকামনাসহ-- প্রিয়ব্রত দত্ত ও কার্তিক চন্দ্র পাল। কার্যনির্বাহী যুগ্ম সম্পাদক, কিশলয় মাসিক শিশুকিশোর ই-ম্যাগাজিন ১২ ই, ডিসেম্বর, ২০২২  ======...

ছোটোদের আঁকিবুঁকি ।। কিশলয় - ১৫ ।। ডিসেম্বর ২০২২

ছবি
    মধুজা হালদার  তৃতীয় শ্রেণী, বয়স ৮ বছর  কল্যাণী পাবলিক স্কুল, বারাসত। ____________________________________________________________________________   তনুশ্রী পাল বর্ধমান কারমেল হাই স্কুল চতুর্থ শ্রেণী পূর্ব বর্ধমান।  _____________________________________________________________________________     সৌম্য দীপ নাথ চতুর্থ শ্রেণী রামকৃষ্ণ আশ্রম বিদ্যাপীঠ দার্জিলিং মোড়, পানাগড় বাজার পশ্চিম বর্ধমান। ________________________________________________________________________________     অহনা পাল   প্রথম শ্রেণী  হাওয়ার্ড মেমোরিয়াল স্কুল । _______________________________________________________________________________

ক্যুইজ, ধাঁধা, শব্দখেলা, 15th issue: December 2022,

ছবি
    শব্দখেলা -১৫।। কার্ত্তিক চন্দ্র পাল       পাশাপাশি ১। মর্যাদা ৩।  অঙ্গে ধারণ, সহ্যকরণ ৫। লোকালয়, রাজ্য ৬। মশা / জল বইবার চামড়ার থলি ৮। উপদ্রব, দৌরাত্ম্য ১০। চিনি মিছরি ফলের রস ইত্যাদি সমন্বয়ে তৈরি ঠাণ্ডা পানীয়  ১২। শাখামৃগ, কপি ১৪। কুঞ্জ ১৫। কোমল   ১৬। যমালয়।     উপরনিচ ১। লেখনী  ২। ধোপা, রঙকারক ৩।বিশ্রী হস্তাক্ষর এমন, বেয়াড়া ৪। সানাই ইত্যাদির ঐকতান বাদ্য ৭। ভারতের প্রাচীন জাতিবিশেষ, কিরাত, ব্যাধ ৯। ভরণপোষণ, মান্যকরণ ১০। সমাপ্তি, নিষ্পত্তি ১১। লিখতে অক্ষম এমন কোনো ব্যক্তির পরিবর্তে যে স্বাক্ষর করে ১২। যাতে চড়ে যাওয়া যায়   ১৩। রসজ্ঞ, রসগ্রাহী। কার্ত্তিক চন্দ্র পাল বর্ধমান।   (যে কেউ উত্তর পাঠাতে পারো। নাম, ঠিকানা, ছবি আর কোন শ্রেণীতে পড় তা পাঠিয়ে দাও নিচে দেওয়া ইমেল-এ: kishalaymag@gmail.com কেউ সূত্রসহ নূতন শব্দছক করে পাঠাতে পারো/ পারেন এই ইমেল ঠিকানায়।তবে শব্দছকের ধরণ একই রাখতে হবে। )  ____________________________________________________________________________________ ...

কবিতা ।। গোল্লাপুরের রাজা।। সুশান্ত সেন

ছবি
  গোল্লাপুরের রাজা সুশান্ত সেন শুনতে পেলাম গোল্লাপুরের রাজা এসেছেন মর্ত্যে সাপের সাথে বাস করেছেন এক পুরাতন গর্তে। হিস হিসানি ছন্দ গানের সেইখানেতে শেখা সেই ছন্দের গন্ধ শুঁকেই কোবতে খানা লেখা, রাজা যখন দিলেন হুকুম করতে হবে চেষ্টা যতই উঠুক হেছকি চারেক যতই বাড়ুক তেষ্টা, হিস হিসানি ছন্দে লেখা বেজায় বড় শক্ত লিখতে গিয়ে সাতটা কলম হলো যে পরিত্যক্ত। চৌদ্দ বার বলতে হবে রাজার আছে খড়্গ বলতে হবে ওরে মানিক একটু ধামা ধর গো রাজার তখন তুষ্টি হবে হৃষ্ট মনে বসে সভার মাঝে ধাই ধপা ধপ তবলা বাজান কষে।   ________________________________________________ সুশান্ত সেন ৩২বি শরৎ বসু রোড কলিকাতা ৭০০০২০    [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

ছড়া।। শীত-কুয়াশার ভোরে ।। নিরঞ্জন মণ্ডল

ছবি
      শীত-কুয়াশার ভোরে নিরঞ্জন মণ্ডল ফ‍্যাকাশ হলুদ রঙ লেগেছে নধর ধানের শিষে খেত কিনারে দাঁড়িয়ে চাষি, পুলকটা তার মিশে শীতল হাওয়ায় চাওয়ায় পাওয়ায় ভাবনা জোড়া দোলা পুরুষ্টু ধান কুয়াশ মেখে নাচছে আপন ভোলা। এই ছবিটা পতপতিয়ে পুবের পানে ধায় তার ছোঁয়াতে আলতা আভাস দিগরেখাটার গায়। উঠোন জোড়া চাষি-বৌয়ের অথির চলাচল পুকুর ঘাটে রূপ-কিশোরী আলতো নাড়ায় জল, বাসন কোসন টুং-টাং-টুং নিপাট ভাবের ঘোরে শীত-কুয়াশার ভোরে। খেজুর গাছের মাথায় ঝোলে মিঠিন রসের হাঁড়ি বাঁকের শিকেয় কলসি-কাঁধে ঝুলিয়ে তাড়াতাড়ি শিউলি ছোটে স্বপ্ন খোঁটে ভরিয়ে সতেজ রস ফোঁটায় নামে সজল ধারা গড়িয়ে গাছের কষ। শরীর জোড়া যন্ত্রণা তার নিতুই আঘাত সয়ে নলেন গুড়ের চনমনে বাস বিলায় নিবাক হয়ে। মাটির কাছে জলের কাছে বাঁচার নিদান চায় হাওয়ায় ভেসে কষ্টটা তার আকাশ পানে ধায়। পুকুর জলে দিঘল ছায়া কাঁপছে কি তাই জোরে? শীত-কুয়াশার ভোরে! উনুন 'পরে উথলে ওঠা নতুন চালের ভাত পরশ ছোঁয়ায় হাঁড়ির গায়ে চপল দুটো হাত। ভুরভুরে বাস ছড়ায় অঢেল গাঁয়ের যতেক বাড়ি ছুঁইতে আকাশ সাধ মনে তার গাঁয়ের সীমা ছাড়ি। কুণ্ডলি-পাক বাষ্প-ধোঁয়া যাচ্ছে সরে সরে শীত-কুয়াশার ভোরে। _________________...

কবিতা ।। শিক্ষা ।। সুশান্ত সেন

ছবি
    শিক্ষা সুশান্ত সেন   রাম বাবুদের বাড়িটা ছিল মস্ত বড় একটা তারই কোণে দামড়া বিশু খেলতে বসে সাট্টা। খেলতে বসে বন বনাবন ঘুরতে থাকে মাথা তারই সাথে বাড়তে থাকে হিসেব লেখার খাতা, হিসেব হলে বাড়বে দেনা সবাই যেমন জানে দেনার চোটে বিক্রি বাড়ি লিখছে অভিধানে। ঠাকুরদাদা'র তৈরি বাড়ি ছিল রামের ভাগ্যে কথার পৃষ্ঠে আবার কথা বলা এখন থাক গে, সাট্টা খেলা নেশার মত হেরেই বিশু জানলো রামবাবুর বারণ শেষে বেদম ঠকে মানলো। বিশু ছিল রামবাবুদের একটি মাত্র পৌত্র স্নেহের বাঁধন দিয়ে বাঁধা,  যদিও ভিন্ন গোত্র। বিশু শেষে বললো এসে শপথ আমার থাকুক আড্ডা খানায় যাবোই নাকো, বন্ধু যতই ডাকুক। _____________________________________ সুশান্ত সেন ৩২বি, শরৎ বসু রোড কলিকাতা ৭০০০২০    [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

অণুগল্প ।। নিয়তি ।। মিঠুন মুখার্জী

  নিয়তি মিঠুন মুখার্জী   রচনা অফিসে যাবেন বলে স্নান সেরে পোশাক পড়ে রেডি হচ্ছেন। এমন সময় কলিংবেলের শব্দ। রচনা ছুটে গিয়ে দরজাটা খুলে দেখলেন, একজন ডেলিভারি বয় একটা পার্সেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। সে রচনাকে জিজ্ঞাসা করলেন---'ম্যাম আপনি কি অর্পিতা ব্যানার্জী?' রচনা অস্বীকার করে বললেন--- 'সামনের ফ্ল্যাটে, আমি নই।' রচনার অসাধারণ সৌন্দর্য ছেলেটির মনে ধরেছিল। পাশের ফ্ল্যাটে যাওয়ার সময় পিছন ফিরে রচনার দিকে বার বার দেখছিল সে। রচনা ছেলেটিকে তেমন গুরুত্ব দেননি ।           এক সপ্তাহ পর এক সকাল বেলা রচনার মৃতদেহ তার প্লাট থেকে পাওয়া গিয়েছিল। পুলিশ তার মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার সময় পাশের ফ্ল্যাটের লোকজনদের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করেও মৃত্যু বিষয়ক কোনরকম তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন নি। রচনা এই ফ্ল্যাটে একাই থাকতো। অফিস থেকে খুব একটা দূরে নয় এটি। বাবা-মা থাকতেন বারাসাতে। তারা খবর পেয়ে শোকে ভেঙ্গে পড়েন। তাদের একমাত্র কন্যা সে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করেও কিছুই পাওয়া যায় নি। তাছাড়া যেদিন রচনা মারা গিয়েছিলেন সেদিন এক ঘন্টার জন্য সিসিটিভি বন্ধ ছিল।পুলিশ তদন্ত করে জানতে পা...

সূচিপত্র

আরও দেখান

সপ্তাহের পছন্দ

মাসের পছন্দ

অতি প্রিয়