পোস্টগুলি

Featured Post

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছবি
  সম্পাদকীয় ছোট্ট বন্ধুরা, কেমন আছো সবাই? পুজোর ছুটি শেষে স্কুল যাওয়া আসা শুরু হয়েছে তোমাদের। বছরের শেষ দিকে পড়াশুনার একটা নতুন উদ্যম  শুরু হয়েছে আশা করি।  শরত শেষে হেমন্তের হাত ধরে ধীরে ধীরে শীতের আগমন ঘটছে। একটু একটু করে শীতের পোশাক চড়াতে হচ্ছে গায়ে। হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে সোনালী ধানের মাঠে মন চুরি যায়। ভোরের কুয়াশায় জড়িয়ে থাকে রাতের স্মৃতি।সকালে শিশিরের স্নাত ঘাসের উপর  পা দিলেই শিহরণ লাগে। শীত আসছে মানেই তো খেজুরের রস,নলেন গুড়। সারা বছর যেন আমরা মুখিয়ে থাকি তাই না? ঋতু যাওয়া আসার মাঝের সময়টাও বেশ মজাদার। বসন্তের মতো হেমন্তও ক্ষণস্থায়ী। যাওয়ার আগে মন উদাস করে দিয়ে যায়। নীল আকাশ আর বাতাসের স্নিগ্ধতায় মন কেমন করা ভাব আসে । মাঠে তখন সোনালী ধানের শীষ দোলে।কৃষকরা ব্যস্ত থাকে ধান কাটায়। চারদিকে ফসলের ঘ্রাণে ভরে ওঠে গ্রামবাংলা। তবে এই ঋতু পরিবর্তনের সময় সাবধানে থেকো সবাই। শরীরের যত্ন নিও।  আগামী শীতে  নবান্ন,পৌষপার্বণের মতো উৎসব অপেক্ষা করে আছে। সেই আনন্দে অবগাহনের আগে পরীক্ষা প্রস্তুতিও সেরে নিতে হবে। তাই না? আর সঙ্গে তো তোমাদের প্ৰিয় কিশলয় প...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন :

ছড়া।। বই পড়ে হও জ্ঞানী ।। ইমরান খান রাজ

ছবি
    বই পড়ে হও জ্ঞানী   ইমরান খান রাজ   বই পড়ে হও জ্ঞানী  করো দেশের কাজ,  বই কিনে কেউ হয়না গরীব  কিসের এতো লাজ !  বই হলো প্রকৃত বন্ধু  অন্ধকারের আলো,  বাজে নেশা ছেড়ে দিয়ে  বই'কে বাসো ভালো।  বই'কে বানাও নিত্যসঙ্গী  রাখো নিজের সাথে,  মোবাইল-টিভি ছেড়ে এখন  বইটি নাও হাতে।  ________________________________ ইমরান খান রাজ  প্রাক্তন শিক্ষার্থী, পদ্মা সরকারি কলেজ,  দোহার-ঢাকা।  ঠিকানাঃ সাতভিটা, নারিশা,  দোহার-ঢাকা ১৩৩২।  পোস্ট কোড: ১৩৩২, নারিশা৷     [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

ছড়া ।। খুকির খুশি।। অরুণ কুমার দাঁ

ছবি
                   খুকির খুশি        অরুণ কুমার দাঁ রোদ উঠেছে ফুল ফুটেছে গান ধরেছে পাখি, নাচছে খুকি হাসছে খুকি জামাতে মুখ ঢাকি  । একটি শালিক দুটি শালিক উঠোন জুড়ে চরে, হাততালি দেয় ছোট্ট খুকি আনন্দ না ধরে  । কাঠ বেড়ালি চোখ ফেরালি আমায় দেখে কেন, মুখটি লাজুক লেজটি উঁচু আমায় তুমি চেনো ? সকাল হলে দু'পা তুলে আমার কাছে এসে, ভিজে ছোলা দুটি বেলা খাও যে ভালোবেসে  । ________________________________ দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান পশ্চিমবঙ্গ     [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

কবিতা ।। মায়ের সুখ ।। হারান চন্দ্র মিস্ত্রী

ছবি
মায়ের সুখ  হারান চন্দ্র মিস্ত্রী            গর্ভমধ্যে যত্নে ছিল খোকা,   মায়ের কোলে এসে যেন বোকা।     ঘুমিয়ে সে ছিল কুঁড়ির মতো       ভুলেছে যে পুর্ব স্মৃতি যত।             একদিন মায়ের অঙ্কে পেল শুতে,   জানত না সে নিজের মুখটি ধুতে।   চিনত না সে মায়ের বদনখানা,    ছিল মায়ের পরশটুকু জানা।              মাথার খুলি শক্ত হলো যত,  চোখের জ্যোতি বাড়ল তখন তত।    মা যে তাকে হাঁটতে শেখায় ধীরে,   শিশু জগৎ গড়ে মাকে ঘিরে।             মায়ের মুখের খাবার গালে নিয়ে,   মনের সুখে নাড়ে জিভটি দিয়ে।  মায়ের দুধে পুষ্টি পেয়ে বাঁচে   ডাকে তাকে যখন সে যায় কাজে।           সন্তান ছেড়ে মা কী ভালো থাকে?   বুকের মধ্যে আগলে রাখে তাকে।   সন্তান নিয়ে দরদী সব মাতা  গড়ে তোলে সমাজ-দেশের ছাতা।    _______...

ছড়া ।। কৃষ্ণচূড়ার রক্ত রঙে ।। বদরুল বোরহান

ছবি
    কৃষ্ণচূড়ার রক্ত রঙে বদরুল বোরহান   কৃষ্ণচূড়া কৃষ্ণচূড়া কোথায় পেলে টুকটুকে লাল রঙ? বর্ণমালার রক্ত-রঙে কপটতায় কেউ করে নি ঢঙ। কৃষ্ণচূড়া, কৃষ্ণচূড়া ফাগুন মাসে আগুন ঝরা ঢেউ, চিরতরে এদেশ থেকে তাড়ালো যে উর্দু ভূতের ফেউ। _____________________________     বিল্ডিং নং-১, ফ্ল্যাট নং-৬০২ জাপান গার্ডেন সিটি আদাবর, মোহাম্মদপুর           ঢাকা-১২০৭    [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

ছড়া ।। চাঁদের বাড়ী ।। আরতি মিত্র

ছবি
চাঁদের বাড়ী আরতি মিত্র খুকু যাবে চাঁদের বাড়ি বায়না ধরেছে শুনে যে তার মা মণিটা বিপদে পড়েছে। বাবা বলে খুকুর জন্য  ঘরে আনব চাঁদ খুকু বলে মজা হবে খুব তবে চাঁদে যাওয়া বাদ হাঁপ ছেড়ে মা বলে এবার খুকুর জন্য চাঁদ ধরে ঘরে এনে বাক্সে ভরে রাখব তাকে আপন করে। খুকু একা   ভাবতে বসে এলোমেলো কত সত্যি কি তা হতে পারে চাঁদ যে অনেক বড় জোছনার আলো আঁধার সরায় পরী আনন্দে নাচে চাঁদ যদি থাকে বন্দী হয়ে  অদৃশ্য হবে সবকিছু চাইনা চাঁদ ধরতে আমি আকাশেতেই থাকুক স্বর্গরাজ্যে সুখে শান্তিতে সবাই খুশীমনে বাঁচুক। _____________________________ Arati Mitra. 267/3 Nayabad Kol.-700094    [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

ছড়া ।। চিঠি ।। দীপক পাল

ছবি
  চিঠি     দীপক পাল সোনামনি সোনামণি আসবে কবে দমদম? দাদার সাথে দুষ্টুমিটা করবে শুধু কম কম। গত বছর তোমরা দুজন কতো মজা করলে রাগ হয়েছে কারও, অন্যজন আড়ালে সরলে। এই করেছো গলাগলি এই করেছো ঝগড়া একদমও যে করেনি কেউ তোমাদের  বাগড়া। গত বছর যা মজা হলো সার্কাসেতে গিয়ে তার চেয়ে তো মজা হলো চিড়িয়াখানায় গিয়ে ওই কটা দিন শীতকালেতে কতো মজা হলো, তারপরেতেও ঠেলা ঠেলি ধাক্কা ধাক্কি কত কারাকারি কান্না কাটি কত কিযে হলো, হয়েছিল যে কি তোমাদের বুঝিনি অত শত। এবার যদি আসো তোমরা করবে নাতো ঝগড়া? কেউ কখনো কারকেই দেবে নাতো বাগরা ? এইবারে তো ভেবেছি তাই করতে যাবো পিকনিক আসো যদি সবাই মিলে কথা দিলাম ঠিক ঠিক। সাকাল বেলা চায়ের সাথে থাকবে সুখের ছোঁয়া কেক মিষ্টির সাথে রবে জয়নগরের মোয়া। দুপুরবেলা হবেরে ভাই চিকেন বিরিয়ানি বিকেল বেলা ঘুরে ফিরে চলবে বাবুয়ানি। বকখালি বা রায়চকেতে ঘুরতে নিয়ে যাবো একটি রাতে থাকতে পেলে খুবই মজা পাবো। সবই হবে যদি তুমি এবারেতেও আসো ভালোবেসে মা বাবাকেও যদি নিয়ে আসো।   _________________________________________ Dipak Kumar Paul, DTC Southern Heights, Block-8, Flat-...

ছড়া ।। ডাক ।। সুনন্দ মন্ডল

ছবি
        ডাক         সুনন্দ মন্ডল মুরগি ডাকে কোঁক কোঁক হাঁস ডাকে প্যাঁক প্যাঁক। গরুর হাম্বা হাম্বা ডাক কুকুর ডাকে ভ্যাক ভ্যাক। আম পড়ে টুপটাপ জাম পড়ে ঝুরঝুর। খেজুরের টিপটিপ বৃষ্টির তাল চুরমুর। শনশন বাতাসেরা বয় আকাশের বুকে। নদীটাও বয়ে যায় কুলকুল ডাকে। গান-কবিতার ছন্দ যেন শুনতে লাগে খাসা। মানুষেরই ডাকের তফাৎ হাজার কৈফিয়তে ঠাসা। __________________________  সুনন্দ মন্ডল কাঠিয়া,পাইকর,বীরভূম    [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

ছড়া।। উদর বাবু।। মহা রফিক শেখ

ছবি
উদর বাবু মহা রফিক শেখ খিদিরপুরের উদরবাবু খাবার খায় মেলা, শুয়ে বসে জাবর কেটে - কাটায় শুধু বেলা। ঢেঁকুর তোলে দিনরাত, অম্বলে কুপোকাত। এত খাবার খেয়ে বুঝছে এবার ঠেলা।   __________________________________________ ___ মহিসার, খড়গ্রাম,মুর্শিদাবাদ,  পশ্চিমবঙ্গ 742147    [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

ছড়া ।। বাংলাদেশ।। রেজাউল করিম রোমেল

ছবি
  বাংলাদেশ রেজাউল করিম রোমেল   সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা আমার বাংলাদেশ, আমাদের এই বাংলাদেশে রূপের নেইকো শেষ। ধনী গরিব জেলে চাষি সবার বাংলাদেশ, গর্বে আমার বুক ভরে যায় এটাই আমার দেশ। রক্ত দিয়ে জয় করেছি সোনার বাংলাদেশ, এগিয়ে যাচ্ছে দেশটি আমার দেখতে লাগে বেশ। ______________________________       রেজাউল করিম রোমেল।    চাঁচড়া, রায়পাড়া, ইসমাইল কলোনি, যশোর, বাংলাদেশ।     [ছবি: ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত]

ছড়া।। কচিকাচাঁ ।। মুহাম্মদ আলম জাহাঙ্গীর

ছবি
    কচিকাচাঁ মুহাম্মদ আলম জাহাঙ্গীর দেশের সকল সোনামণি ছোট্র কচিকাঁচা, মিথ্যে ওরা নাহি বলে সতত বলে সাচা। সারাটাদিন খেলে শুধু কয়না খাবার কথা, পড়তে বললে সোনামণি বলে ভীষণ ব্যথা। দলবেঁধে তারা কখনো  পাখির মতো ডাকে, ছোট ছোট মাছ ধরে কেউ খাল ও নদীর বাঁকে। আজকে যারা কচিকাঁচা কালকে তারাই সবি, কেউবা হবে দেশের নেতা কেউবা হবে কবি।।   _____________________________ মুহাম্মদ আলম জাহাঙ্গীর গ্রাম : নতুন পানিসারা,ডাকঘর: পেঁচুল, উপজেলা: শেরপুর,জেলা: বগুড়া, বাংলাদেশ।  C/O : নুরু মুন্সি 

অনুবাদ কবিতা ।। ইচ্ছাগুলি বিলিয়ে দিও ।। রণেশ রায়

ছবি
   ইচ্ছাগুলি বিলিয়ে দিও (হিন্দি ভাষার কবি  বাবুষা কোহলির লেখা কবিতা  অবলম্বনে) রণেশ রায়   ইচ্ছেগুলো জমা আছে হৃদয়ঘরে  দরজা খোলা হাট হয়ে পেয়ে যাবে সে ঘরে ঢুকলেই; এ গোধূলি রাতে  আমি চললাম অজানা পথে, উপহার দিও ইচ্ছাগুলো জনে জনে যেভাবে আমি চেয়েছি দিতে, লিস্টিটা তোমায় দিলাম লিখে। কিছু স্বপ্ন ঘুমিয়ে আছে নিশ্চিন্তে শুয়ে জাগিয়ে তোল তাদের ভাবনার প্রচ্ছদে যারা অজ্ঞানতার কারায় বন্দী স্বপ্ন দেখতে গেছে ভুলে তাদের হাতে দাও তুলে। কিছু ইচ্ছে  জমা আছে মেয়েদের বুকে যারা রান্নাঘরে বাঁধা পড়ে আছে বার করে আন তাদের দুয়ার বাইরে ছড়িয়ে দাও খোলা আকাশের নীচে। কিছু রং রাখা আছে সাজার টেবিলে রাঙিয়ে দিও চেতনাকে সেই রঙে, ইচ্ছাশক্তি জেগে উঠুক জাগরণে   জেগে উঠুক সে লড়াইয়ের প্রাঙ্গনে । কিছু ইচ্ছে বাঁধা আছে মায়ের মননে যে হারিয়েছে স্বামীকে যুদ্ধের ময়দানে ইচ্ছেগুলো পরিয়ে দিও তার সিঁথিতে রাঙিয়ে দিও সিঁথি রক্তের রঙে।   মান ইজ্জত সব তোলা আছে দেরাজে দিও সেগুলো মেহনতি মানুষকে  যারা রোজ শ্রম বেঁচে  প্রিয়জনের পেট চালাতে। কিছু শান্তি এখনো আছে বেঁচে, সান্তনা...

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। ষোড়শ সংখ্যা : জানুয়ারি ২০২৩

ছবি
   সম্পাদকীয় নতুন বছরে তোমরা কেমন আছো ছোট বন্ধুরা? আশা করি নতুন শপথ নিয়ে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেছো তোমরা। আনন্দের সঙ্গে নতুন  উৎসাহ-উদ্দীপনায় ব্রতী হয়েছো  নতুন কাজে, নতুন ক্লাসের পড়াশোনায়। এবারে শীত কিন্তু জাঁকিয়ে পড়েছে। ঠান্ডা লাগিও না কেউ। সাবধানে থেকো সবাই।নিশ্চয় এবার শীতে অনেকেই পিকনিকে বেশ মজা করেছো।  আর সদ্য কেটে গেল মকর সংক্রান্তি। বাড়িতে বাড়িতে নলেন গুড়ের পিঠে-পুলির রমরমা। আশা করি ভালোই উপভোগ করেছো তোমরা। সামনে বিদ্যা-বুদ্ধির দেবী মা সরস্বতীর আরাধনা। মায়ের কাছে  ভক্তিভরে অঞ্জলি দিয়ে প্রার্থনা কোরো বিদ্যা-বুদ্ধিতে যেন সেরা হয়ে উঠতে পারো। আর লেখা-আঁকার মতো সৃজনশীল কর্মেও যেন নিজেদের ছাপ রাখতে পারো। প্রার্থনার সঙ্গে সঙ্গে অভ্যেসও জরুরি। তাই তোমরা বেশি বেশি করে লেখো-আঁকো । আর পাঠিয়ে দাও কিশলয়ে। সময় করে পড়ে নিও তোমাদের মনের কথা বলা পত্রিকা কিশলয়।  ভালো থেকো, সুস্থ থেকো, আনন্দে থেকো।   প্রিয়ব্রত দত্ত ও কার্তিক চন্দ্র পাল। কার্যনির্বাহী যুগ্ম সম্পাদক, কিশলয় মাসিক শিশুকিশোর ই-ম্যাগ।   ৮ই জানুয়ারি, ২০২২ ...

নিবন্ধ ।। কবিতায় কল্পকথা ও কল্পচিত্র ।। রণেশ রায়

ছবি
    কবিতায় কল্পকথা ও কল্পচিত্র রণেশ রায় কবি এই ব্রহ্মলোক ও সমাজকে প্রত্যক্ষ করলে তার সঙ্গে ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ায় যুক্ত হলে  তাঁর মনোজগতে তা প্রতিফলিত হয়, তা তাঁর কল্পনায় ভিন্ন মাত্রা পায়।এক উপলব্ধির জন্ম হয়।এই উপলব্ধিকে সংকেত ও উপমার সাহায্যে ব্যঞ্জনসিক্ত অর্থবহ করে তুলতে পারলে তাকে শব্দাবলীতে কথামালায় সাজিয়ে ছন্দময় করে তুলে তাল লয়ে ভরপুর  করে তুলতে পারলে তাকে কবিতা বলা হয়। কবিতার জন্য কবিতা লেখায় আমি বিশ্বাস করি না। কবির নিজের চেতনা অনুযায়ী ভাবনার  ছন্দবদ্ধ কথামালায় রূপান্তরকে আমি কবিতা বলে মনে করি। জীবনকে সঠিক ভাবে বুঝে জীবনবোধকে কবিতায় রূপ দিতে চেষ্টা  করা হয় কবিতায়। তাই জীবনের কোলাহল জীবন যুদ্ধ তাকে কেন্দ্র করে  যে মনন তারই প্রতিফলন ঘটাবার অবিরাম প্রচেষ্টা দেখা যায় কবির  লেখা কবিতায়। এ এমন কোন বিমূর্ত ভাবনার উপস্থাপন হতে পারে না যা কোন অর্থ বহন করে না। যাকে পাঠক যেভাবে বোঝে সেভাবে বুঝবে বলে দায় সারা হয়। বরং আমরা মনে করি কবির নিজের ভাবনা জীবন বোধের যেন ছান্দনিক বিচ্ছুরণ ঘটে কবিতায়। বিমূর্ত ভাবে উপমার সাহায্যে তা পরিবেশিত হ...

ক্যুইজ, ধাঁধা, শব্দখেলা, 16th issue: January 2023,

ছবি
        শব্দখেলা -১৬ ।। প্রিয়ব্রত দত্ত       পাশাপাশি ১। ফলোৎপাদন ৩।  বসবাসের স্থান ৫। মোঘল সম্রাট আকবরের সভাসদ এবং পরামর্শদাতা ৬। আমিষ রান্নার অপরিহার্য্য উপাদান ৮। ব্যথা স্থানে বেদনার অনুভুতি ১০। মৃত্যু পর্যন্ত   ১২। একটি প্রিয় ঋতু ১৪। একটি অধাতব হালকা হলুদ বর্ণের  মৌল ১৫। সবুজ যা হয়, তাজা   ১৬। কর্তা।     উপরনিচ ১। নিঃস্ব, সর্বহারা  ২। নব্য ৩।যার যথেষ্ট শক্তি আছে  ৪। মহাপুরুষের মৃত্যু, অদৃশ্য হওয়া ৭। সহজে চলাফেরার উপযুক্ত ৯। সাদা বর্ণের ফুল বিশেষ  ১০। গ্রীষ্মের ফল বিশেষ  ১১। যুদ্ধযাত্রার সজ্জা  ১২। লজ্জা ১৩।ডেকে পাঠানো । প্রিয়ব্রত দত্ত বর্ধমান।   (যে কেউ উত্তর পাঠাতে পারো। নাম, ঠিকানা, ছবি আর কোন শ্রেণীতে পড় তা পাঠিয়ে দাও নিচে দেওয়া ইমেল-এ: kishalaymag@gmail.com কেউ সূত্রসহ নূতন শব্দছক করে পাঠাতে পারো/ পারেন এই ইমেল ঠিকানায়।তবে শব্দছকের ধরণ একই রাখতে হবে। )  ____________________________________________________________________________________     গত...

ছোটদের আঁকা ।। আয়াত আহমেদ, নিশান্তিকা নস্কর ও সুনীত নস্কর

ছবি
Name - Aayat Ahmed  Class - 2 Age - 9 School  - Convent of Jesus & Mary (Ranaghat)    ========================================       নিশান্তিকা নস্কর  তৃতীয় শ্রেণি সাউথ সেন্টার প্রাইমারি স্কুল বারুইপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা।    =================================== সুনীত নস্কর দশম শ্রেণি ধনপোতা, মগরাহাট, দক্ষিণ ২৪ পরগনা   ===========================================

গল্প ।। গুড়ের লোভে ।। অর্পিতা ঘোষ পালিত

ছবি
গুড়ের লোভে অর্পিতা ঘোষ পালিত       টাপুস আর টুপুস দুই ভাইবোন, টাপুস ক্লাস ফাইভ আর টুপুস ক্লাস থ্রী-তে পড়ে। স্কুলে এক সপ্তাহের জন্য ক্রিসমাসের ছুটি। ওদের বাড়ির কাছেই গির্জার পাসের মাঠে বড়দিনের মেলা বসে। বড়দিনের মেলা দেখতে ওদের পিসি ছেলে ডাবলুকে নিয়ে ওদের বাড়ি বেড়াতে এসেছে। ডাবলু টাপুসের বয়সী, ওরও স্কুল ছুটি। বড়দিনের মেলা দেখার অজুহাতে আপনজনের সাথে দেখাও হয়।   পিসি এসে বললো - একদিনের বেশি থাকতে পারবে না, বাড়িতে কাজ আছে । এবার বড়দিনের মেলা দেখতে আসা হতোনা, ডাবলু মামার বাড়ি আসার জন্য বায়না করছিল তাই আসা। তাছাড়া সবাইকে  দেখার জন্য মন ছটফট করছিল, তাই চলে এলাম।     ডাবলু এসেছে দেখে টাপুস টুপুসের খুব আনন্দ হয়েছিল, ভেবেছিল তিনজনে মিলে বড়দিনের ছুটিতে খুব মজা করবে। পিসির কথা শুনে দু-ভাইবোনের মনখারাপ হয়ে গেল।      কতদিন পর ডাবলুর সাথে দেখা হলো, কদিন একটু আনন্দ করে তিনজনে খেলা করবো, থাকোনা পিসি … টাপুস টুপুস পিসির কাছে বায়না করতে লাগলো।     ওদের মনখারাপ দেখে পিসি টাপুস টুপুসের মাকে বললো– বৌদি ...

সূচিপত্র

আরও দেখান

সপ্তাহের পছন্দ

শব্দছক,ক্যুইজ এবং ধাঁধা ।। কিশলয় ।। 2nd issue: November2021

ছড়া ।। সম্প্রীতি ফুল ।। রিয়াদ হায়দার

ছোটোদের আঁকা ।। মনামি মন্ডল, অহনা বিশ্বাস, সৃজা দাস, সিমিকা বৈরাগ্য

ছড়া ।। তাপের বহর ।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল

ছড়া।। পাখপাখালির মেলা ।। চন্দন মিত্র

ছড়া ।। খুকির রথ দেখা ।। সুব্রত কুণ্ডু ।।

ছড়া ।। অবশেষে ।।বদ্রীনাথ পাল

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪২ ।। মে ২০২৫

আদর মাখানো ভাই ফোঁটা এলো ।। বিবেকানন্দ নস্কর

কবিতা ।। ব্যাঘ্রমশাই ।। দীনেশ সরকার

মাসের পছন্দ

ছড়া ।। তাপের বহর ।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪২ ।। মে ২০২৫

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। 20th issue: May 2023

ছড়া ।। ক্ষতি নেই ।। রবীন্দ্রনাথ সামন্ত

ছোটদের আঁকিবুঁকি ।। কিশলয় - ২৪ ।। সেপ্টেম্বর ২০২৩

কবিতা ।। জীবন মানে ।। পাভেল আমান

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছোটদের আঁকিবুঁকি ।। ত্রিত্বারিংশ সংখ্যা ।। জুন, ২০২৫

ছড়া।। পাখির দু'টি ছানা ।। শংকর দেবনাথ

কবিতা ।। খুকির বায়না ।। খগেশ্বর দেব দাস

অতি প্রিয়

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। আত্মপ্রকাশ সংখ্যা ।। অক্টোবর ২০২১

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। দ্বিতীয় সংখ্যা ।। নভেম্বর ২০২১

নিবন্ধ ।। শিশু-কিশোর সাহিত্যবলয়ে শিশুরাই যেন ব্রাত‍্য না থাকে ।। অরবিন্দ পুরকাইত

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 4th issue: January 2022,

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 7th issue: April 2022

নিবন্ধ ।। দেশীয় উদ্ভিদ কেন গুরুত্বপূর্ণ ? ।। ডঃ চিত্তরঞ্জন দাস

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১১ ।। আগস্ট ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১০ ।। জুলাই ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র : 8th issue: May 2022

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১২ ।। সেপ্টেম্বর ২০২২