পোস্টগুলি

Featured Post

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছবি
  সম্পাদকীয় ছোট্ট বন্ধুরা, কেমন আছো সবাই? পুজোর ছুটি শেষে স্কুল যাওয়া আসা শুরু হয়েছে তোমাদের। বছরের শেষ দিকে পড়াশুনার একটা নতুন উদ্যম  শুরু হয়েছে আশা করি।  শরত শেষে হেমন্তের হাত ধরে ধীরে ধীরে শীতের আগমন ঘটছে। একটু একটু করে শীতের পোশাক চড়াতে হচ্ছে গায়ে। হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে সোনালী ধানের মাঠে মন চুরি যায়। ভোরের কুয়াশায় জড়িয়ে থাকে রাতের স্মৃতি।সকালে শিশিরের স্নাত ঘাসের উপর  পা দিলেই শিহরণ লাগে। শীত আসছে মানেই তো খেজুরের রস,নলেন গুড়। সারা বছর যেন আমরা মুখিয়ে থাকি তাই না? ঋতু যাওয়া আসার মাঝের সময়টাও বেশ মজাদার। বসন্তের মতো হেমন্তও ক্ষণস্থায়ী। যাওয়ার আগে মন উদাস করে দিয়ে যায়। নীল আকাশ আর বাতাসের স্নিগ্ধতায় মন কেমন করা ভাব আসে । মাঠে তখন সোনালী ধানের শীষ দোলে।কৃষকরা ব্যস্ত থাকে ধান কাটায়। চারদিকে ফসলের ঘ্রাণে ভরে ওঠে গ্রামবাংলা। তবে এই ঋতু পরিবর্তনের সময় সাবধানে থেকো সবাই। শরীরের যত্ন নিও।  আগামী শীতে  নবান্ন,পৌষপার্বণের মতো উৎসব অপেক্ষা করে আছে। সেই আনন্দে অবগাহনের আগে পরীক্ষা প্রস্তুতিও সেরে নিতে হবে। তাই না? আর সঙ্গে তো তোমাদের প্ৰিয় কিশলয় প...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন :

অণুগল্প ।। নিমফুলের ঘ্রাণ ।। শংকর ব্রহ্ম

ছবি
         নিমফুলের ঘ্রাণ শংকর ব্রহ্ম                      একদিন বিকেলবেলা ঘুম থেকে উঠে, জানলা দিয়ে আমি দেখলাম, একটি কাঠ-ঠোকরা পাখি আমাদের ঘরের পাশের নিমগাছের ডালে এসে বসল। গাছের অন্য ডালে একটি মৌমাছির (চাক) বাসা ছিল। সেদিক থেকে উড়ে এসে একটি ছোট্ট মৌমাছি পাখিটির সামনে দিয়ে যাচ্ছিল।               পাখিটি মৌমাছিটিকে দেখে কাছে ডেকে বলল, কেমন আছ মৌমাছি ভাই? মৌমাছিটি মধুর স্বরে উত্তর দিল, ভাল আছি গো। তুমি কেমন আছো পাখি দাদা? পাখিটি বলল, আমিও ভাল আছি। অনেক দিন ধরেই ভাবছি তোমাকে একটি কথা জিজ্ঞেস করবো।              মৌমাছি বলল, তা বলো না,  কী কথা বলবে পাখি দাদা? পাখিটি অনুযোগের সুরে বলল, আমি দেখি, তুমি মধুর জন্য রোজ কতো কষ্ট কর। কতো কঠোর পরিশ্রম কর, কিন্তু লোকজন তোমাকে কিছু না জানিয়েই, তোমার সেই জমানো মধুর চাক কেটে নিয়ে চলে যায়। এতে তোমার মনে ...

চোখের ভাষা ।। মানস কুমার সেনগুপ্ত

ছবি
চোখের ভাষা  মানস কুমার সেনগুপ্ত মানুষের চোখ দেখেই নাকি তার চরিত্রের কিছু আভাস পাওয়া যায়। চরিত্র বিশ্লেষণ যারা করতে পারেন সেই সব মনোবিজ্ঞানীরা হয়তো অনেক কথাই বলতে পারবেন এই বিষয়টি সম্পর্কে। কিন্তু  চোখের ভাষা বা নীরব মুখের ভাষা দেখে সত্যিই কি মানুষ চেনা যায়? এখন কৃত্রিম মুখোশের আড়ালে অনেকের চোখের ভাষাও যেন লুকিয়ে থাকে।  আমার অনেকগুলি সারমেয়দের সঙ্গে নিত্য সম্পর্ক। তারা  আদর যত্নে ঘরের নিরাপদ ঘেরাটোপে থাকা পে ডিগ্রি কুকুর নয়। নিতান্তই রাস্তায় ঘুরে -ফিরে বেড়ানো বেশ কয়েকটি কুকুর। অনেক সামাজিক বাধাবিপত্তি কাটিয়ে তাদের খাওয়া -দাওয়া , অসুস্থ হলে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থাও করতে হয়। প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত না হয়েও চোখের নীরব ভাষায় ওরাও অনেক কথা বলে। সেকথা বুঝতে যারা পারার তারা পারেন। তবে কিছু মানুষ ওদের পছন্দ করেন না।                      শান্ত শিষ্ট,  আদরের তিন্নির তিনটে বাচ্চা হয়েছিল। একটিকেই বাঁচানো সম্ভব হয়। বাচ্চা বিন্নি একটি মেয়ে কুকুর, প্রাণ চাঞ্চল্যে ভরপুর। ওর মা এবং অন্য কুকুরদের সঙ্গে ঘুরে বেড়...

ছড়া ।। শীত সকালের রোদটা মিঠে ।। রানা জামান

ছবি
শীত সকালের রোদটা মিঠে রানা জামান শীত সকালের রোদটা থাকে অনেক অনেক মিঠে , সকালটা বেশ জমে উঠে থাকলে ভাঁপা পিঠে। ভাঁপা পিঠার ভাঁপের সাথে মুখের ভাঁপটা মিশে , দাঁতের মাঝে ফেলে দিয়ে শীতকে দারুণ পিষে। মিঠে রোদের স্পর্শ পেয়ে ঘাসের শিশির হাসে , শিশির আয়নায় যে দেখে তার ভূত - ভবিষ্যৎ ভাসে। শীতটা আরো বসলে ঝেঁকে রোদের বাড়ে কদর , ঘোর কুয়াশা গলতে থেকে খুলে সুখের সদর। গরম কাপড় থাকলে অল্প রোদটা বেশি আয়েশ , শীতটা আরো বসলে ঝেকে বাড়ে রোদের খায়েশ।

ছড়া ।। ভোরের পাখি ।। সমর আচার্য্য

ছবি
ভোরের পাখি  সমর আচার্য্য  ভোরের পাখি ওঠে ডাকি  কিচিরমিচির রবে সেই আওয়াজে ঘুম ভেঙে যায়  খোকা খুকি সবে। পুবের জানলা খুলে দিয়ে  সোনা আলো মেখে  পড়তে বসে যার যার মতন  নিজের পড়া দেখে। পাখি ছোটে এদিক ওদিক  খুঁজতে তাদের খানা  বাসায় বসে কান্না করে  হাঁ করে তার ছানা। পাখি ওড়ে আকাশ পানে  মিষ্টি কূজন করে তাই না শুনে খোকা খুকির  মন খুশিতে ভরে। ইচ্ছা করে পাখির ডানায়  চড়ে সকালবেলা  সোনা রবির আলোর সাথে  করতে শুধু খেলা। রায়গঞ্জ, উত্তর দিনাজপুর  মোবাইল --৯৭৭৫৭৭২২৫৫

কবিতা ।। অজানা অতিথি ।। গোপাল চন্দ্র মন্ডল।

ছবি
 অজানা অতিথি।  গোপাল চন্দ্র মন্ডল।          মানুষ হয়েছে কৃষক ঘরে জন্ম যে কোথায় তার    রাস্তায় কুড়ে পাওয়া ছেলে বলে     করে তাকে বন্ধুরা প্রহার।    নাম রেখেছে মধু সবাই বলে যদু     কি করবে ভেবে পায়না তার বাবা নিধু।         নিধু বলে ও যে আমার পোষ্যপুত্র       হীরের টুকরো ছেলে পেয়েছি এটা সত্য।      জন্ম যেথা হোক কর্ম তার ভালো        সে এসে আমার বাড়ি করেছে যে            আলো।     টুকটুকে হয়েছে চেহারা তার      দেখে হয়েছে বাবার বাহার।      মার তো মাটিতে পা পড়ে না       ছেলে পেয়ে সে আনন্দে আটখানা।        স্কুলে ভর্তি হয়ে মাস্টারদের সে প্রিয়      হিংসুটে ছাত্রদের পরাস্ত করে সেও।     এভাবে জীবন যুদ্ধে হয়েছে তার জিত      অচেনা অতিথি হয়েও গড়ে নিজে ভীত।  ------------------...

ছড়া ।। কেমন যেনো ।। তীর্থঙ্কর সুমিত

ছবি
কেমন যেনো তীর্থঙ্কর সুমিত রাত গাঢ় হলে এমন আওয়াজ ভয়ঙ্কর সে ডাক নিশুত রাতে আকাশ পথে উড়ছে দাঁড়কাক। দেখেই ভয়ে কাঁপছি আমি ভূত নয়তো কি? ভূতই হবে মামদো ব্যাটা গন্ধ গায়ে ছি! আর একটা দেখি বিদঘুটে চোখ প্যাকলা কালো রঙ শ্যাওলা গায়ে ক্যাওড়া করে  সাজযে নানা সং। এমনটা না হয় হতেই পারে যেমন খুশি সাজো মনের চোখে অন্ধ খেলা বহাল আছে আজও। 

কবিতা ।। খুকির বায়না ।। খগেশ্বর দেব দাস

ছবি
খুকির বায়না খগেশ্বর দেব দাস   পাখনা মেলে উড়ছে দেখ, হরেক রকম প্রজাপতির দল। ছোট্ট খুকি বায়না ধরে- প্রজাপতি, প্রজাপতি আয়না আমার ঘরে। মা বলে, ওরে খুকি! ওরা যে বাগানে তে থাকে!  ওটায় ওদের বাড়ি। ছোট্ট খুকির বায়না হলো, যাবে ওদের বাড়ি। দু'জন মিলে ঘাপটি মেরে রইলাম বসে, ফুল বাগানের কোনে। অনেক পরে, প্রজাপতির আনাগোনা বাড়লো সেথা শেষে। হরেক রকম প্রজাপতি এদিক ওদিক- উড়ে বেড়ায়, দেখতে ভারী মজা। ধরতে গেলে দেয়না ধরা-উড়ে বেড়ায় সদা। খুকি আমার করে বায়না- ওদের কেন যায় না ধরা, যায় না ছোঁয়া মোটে বলবে আমায় তুমি? কি করি,কি করি- ফন্দি এঁটে ফুলের গোছা দিলাম আমি খুকির মাথায় গুঁজে। প্রজাপতি দলে দলে, এলো উড়ে-বসলো এবার খোঁপায় গোঁজা ফুলে। খিলখিলিয়ে হাসলো খুকি প্রজাপতির রকম সকম দেখে। ______________________________________ কে দেব দাস  গ্রীনভিউ,গড়িয়া

ছড়ার কথা ।। দেবদাস কুণ্ড

ছবি
ছড়ার কথা দেবদাস কুণ্ড  তুমি ছড়া পড়, ছড়া?  কি বললে খাই কিনা বড়া!  না, না, বলছি পড় নাকি ছড়া আমি শাসন করি খুব কড়া একথা বলিনি, বলছি ছড়া নিধিরাম, সে তো গেছে মারা ভালো করো শোন বলছি ছড়া না, না আমি যাইনি মুচিপাড়া তুমি এখনও পড়ছো ছড়া?  তোর মামা, সে বাড়ি ছাড়া বলছি পড়  সকুমারের ছড়া?  কে বলে আমি কালা হতছাড়া _____:::___::______ Debdas kundu  6D Gorapada sarkar Lane  Bl-B fl-4  Ganapati appt  Kolkata 700067 

কবিতা ।। খোকার প্রশ্ন ।। প্রবীর বারিক

ছবি
খোকার প্রশ্ন প্রবীর বারিক  "মাগো আমি ছোটো হব থাকবো তোমার কোলে কড়ি বাঁধা দোলনাটিতে সকাল সন্ধ্যা দোলে।" "ওরে খোকা আছিস বোকা হয়েছিস তুই বড়ো হাঁটতে পারিস চলতে পারিস সাইকেলে তাই চড়ো"। "জন্ম আমার হয়নি যখন ডাকতে কাকে সোনা উলের টুপি আসন খানা হয়নি বুঝি বোনা?" "দিনের বেলা সূর্য দেখে চাঁদকে দেখি রাত্রে সন্দেশ মাখা দুধে ভাতে ঢেকে দিতাম পাত্রে।" "সত্যি কথা বলো তো মা বাসতে আমায় ভালো আমার আশায় ঠাকুর ঘরে জ্বালতে প্রদীপ আলো?" "দশটি মাসে শত কষ্ট সহ্য করে কাটে উপোস ব্রত পালন করি মানতকরণ ঘাটে।" "চলা বলা শেখার আগে স্নেহ দিয়ে ঢাকতে আমায় তুমি ক্রোড়ে করে খেলা পড়া নামাওনি যে ভূমি সোনা বাবা ডাকতে আমায় থাকতো মুখে হাসি তাইতো আমি ছোট্ট হয়ে বাজাবো কাঠ বাঁশি"।

ছড়া ।। বিপদ এসে গেছে ।। আশীষ হাজরা

ছবি
বিপদ এসে গেছে আশীষ হাজরা, মেঘ বলছে নামবো কোথা দেখাও আমার থানা বন জঙ্গল না থাকলে তো নামতে আমার মানা আঁধার দেখি পৃথিবীটাকে কোথায় যে কার দেশ গাছপালাকে সাফ করেছো প্রকৃতি করেছো শেষ । জল বাতাস সাগর মাটি উষ্ণতার জেরে এলোমেলো যে সবকিছু গো দুষণ মাঝে পড়ে। গাছ লাগাও প্রাণ বাঁচাও এই ধরণী মাঝে গাছ না থাকলে কি করে যে প্রাণীর প্রাণ বাঁচে , সামলে নাও প্রকৃতি পরে করো যে অনাচার তাহলেই তো ঠিক চলবে প্রকৃতির আচার । সময়টা তো চলছে বেগে বিপদ বাড়ে দেশে এখন যদি চুপটি থাকো বাঁচবে না কেউ শেষে।। _____________________________________ আশীষ হাজরা::সারেঙ্গা:বাঁকুড়া:পঃবঃ,

এক দুপুরে ।। চিড়িয়াখানায় ।। দীপান্বিতা হক

ছবি
এক দুপুরে চিড়িয়াখানায়  দীপান্বিতা হক  বাবা - মায়ের সাথে গেলাম চিড়িয়াখানায় আজ খুশি হলাম দেখে নতুন চিড়িয়াখানার সাজ। বাঘের খাঁচা, বিরাট বড়ো, খাঁচার ভেতর বাঘ হলুদ - কালো ডোরা কাটা হুংকার দেয় ভাগ। পালিয়ে আসি সিংহ খাঁচার সামনে এবার তাই কেশরগুলো ঝাঁকায় রাজা , বনের দেখি ভাই। পেটের ভেতর থলি নিয়ে মা ক্যাঙ্গারু লাফায় বাচ্চাগুলো ও থলির মধ্যে লাফায় এবং ঝাঁপায়। সজারুর গলা লম্বা কতো উঁচুর পাতা খায়  এতো লম্বা গলা তোদের কেমন করে হয়?  হাতির শরীর নাদুস নুদুস, শুঁড়টি উঁচু করে  মুখটি খুলে কলা খায় কাঁদি কাঁদি ধরে। রং - বেরংয়ের পাখি দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়  ম্যাকাও পাখি, কাকাতুয়া, ময়ূর, টিয়া আয়। ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত হয়ে মাঠের মাঝে বসলাম  পরোটা ও আলুর দম আর কমলালেবু খেলাম। বাড়ি ফিরে চুপিচুপি আয়নায় মুখ রাখি ওদের মতো হলাম না কি ? নিজের মতোই থাকি।।                    ----------------- Address 61c I 1b, Elliot Road, p o park Street, Kolkata 16  Mobile number 9874097830

নিবন্ধ ।। মায়া সভ্যতার শহরের খোঁজে ।। শ্যামল হুদাতী

ছবি
  মায়া সভ্যতার শহরের খোঁজে শ্যামল হুদাতী  মায়া সভ্যতা দক্ষিণ-পূর্ব মেক্সিকো এবং উত্তর মধ্য আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত একটি বিস্তৃত অঞ্চল দখল করেছিল। এই অঞ্চলে সমগ্র ইউকাটান উপদ্বীপ এবং বর্তমানে গুয়াতেমালা এবং বেলিজের আধুনিক দেশগুলির পাশাপাশি হন্ডুরাস এবং এল সালভাদরের পশ্চিম অংশের সমস্ত অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রত্নতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন ক্যাম্পেচে শহরের কাছে অবস্থিত এই প্রাচীন মায়া শহরটিতে পিরামিডের অস্তিত্ব মিলেছে। মন্দির,খেলার মাঠ, জলাশয় সহ আরও নানা স্থাপত্য রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ঘন অরণ্যের পুরু চাদরের তলায় বহু শতক ধরে যে এক আস্ত শহর ঢাকা পড়েছিল, সে কথা অনুমানের স্তরে ছিল এত দিন। আমেরিকার টুলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক লুক অল্ড-টমাস কিছুটা অপ্রত্যাশিত ভাবেই মেক্সিকোয় প্রাচীন মায়া সভ্যতার একটি বিশাল শহরের ধ্বংসাবশেষের খোঁজ পেয়েছেন সম্প্রতি। এই খোঁজে যেমন তিনি আপ্লুত, তেমনই তাঁকে ভাবিয়ে তুলছে শহরটির ধ্বংসের প্রকৃত কারণ। ওই জঙ্গলের কাছে থাকা একটি উপহ্রদের নামে 'ভ্যালেরিয়ানা' নাম রাখা হয়েছে শহরটির। মায়া পতনের কারণ হিসেবে ধরা যায় - অতিরিক্ত জনসংখ্যা, বিদেশী আক্রমণ, চাষি বিদ...

ছড়া ।। সবার হৃদয়ে অন্য স্বাদে ।। বিবেকানন্দ নস্কর

ছবি
সবার হৃদয়ে অন্য স্বাদে বিবেকানন্দ নস্কর পৌষ পৌষ পৌষ খুশি পৌষালি চোখ মুখ পৌষ পৌষ পৌষ হাসি বড়দিনের সুখ । খেজুর শ্বাসে পৌষ মাসে রোদ জুড়ানো বন পশম প্রিয় জড়িয়ে নিও শীত মাখানো মন । মাথায় টুপি সান্তা আসেন স্বপ্ন সওদাগর সবার হৃদে অন্য স্বাদে  বড়দিনের জ্বর । বড় মনের বড় খবর আদর ভরা শিস সান্তা দিলেন সবার মাথায় ভালোবাসা আশীষ । ___________________________ বিবেকানন্দ নস্কর ফলতা দ:২৪পরগনা

ছোটদের পাতা ।। গল্প ।। নিমফুলী গ্রামের আতঙ্ক ।। সূর্য মন্ডল

ছবি
নিমফুলী গ্রামের আতঙ্ক                   - সূর্য মন্ডল মানুষের জীবনে এমন কিছু কিছু ঘটনা ঘটে যা কখনোই বিশ্বাস যোগ্য হয়ে উঠে না যা শুধু কল্পনায় মনে হয়। সেটা ভৌতিক কিছু হোক কিংবা অন্য কিছু।  এখন এমন একটা গল্প বলবো যা বিশ্বাস করা তো দূরের কথা যা কেউ কখনো স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি এমনটা ঘটতে পারে ।   বেশ কয়েক বছর আগে নিমফুলী বলে একটা গ্রামে কিছুদিন ধরে অদ্ভুত অদ্ভুত ঘটনা ঘটতো। কিন্তু কেউ সেই ঘটে যাওয়া ঘটনা নিয়ে মাথা ঘামাতো না সকলে ভাবতো আজকাল এইসব প্রায় ঘটে থাকে।    এমন করে কয়েকদিন এমন অদ্ভুত ঘটনা ঘটা বন্ধ হলো। লোকজন ও সেই সব বিষয় নিয়ে কিছু ভাবতো না। সকলে সেই ঘটনা গুলোকে ভাবনা ভেবে উড়িয়ে দিতো।  এই ভাবে বেশ কিছু দিন চলার পরে হঠাৎ একদিন নিমফুলী গ্রামে ঘটলো এক ভয়ংকর বিপদ। যা নিমফুলী গ্রামে এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির উদয় হলো। গ্রামের পশ্চিম প্রান্তে আছে একটা বিরাট শশ্মান অন্যান্য গ্রামের থেকে এখানে লোক আসে মড়া পোড়াতে কারণ এই অঞ্চলের মধ্যে নিমফুলী গ্রামেই একমাত্র শশ্মান আছে আর অন্য কোনো গ্রামে নেই।শশ্মানটা একেবারে পশ্চিম প্রান্তের শেষ দিক...

ছড়া।।ছোট গ্রাম ।। কার্ত্তিক মণ্ডল

ছবি
     ছোট গ্রাম          কার্ত্তিক মণ্ডল আমাদের ছোট গ্রাম, আম, জাম ভরা হাঁস চরে খালে বিলে আত্মীয় ওরা । পাখিদের কিচিমিচি শেয়ালেরা ডাকে ময়ূর পেখম মেলে বরষার ফাঁকে। জোছনারা উঁকি দেয় সাঁঝে ঝিলমিল ছোঁ-মারে মাছরাঙা উড়ে যায় চিল। বাগানেতে ফোটা ফুল রঙে রূপে ভরা মোহিত করেছে সব, মাতিও আমরা । স্নিগ্ধ শীতল বায়ু ছুঁয়ে যায় মন চারদিক রঙ করা হরিৎ বরণ। সারা সন আভরণ কত মিঠা রব মিলেমিশে আছি সুখে, আমি তুমি সব। ___________________________   কার্ত্তিক মণ্ডল গ্রাম-পশ্চিমবাড় পোস্ট-ধনেশ্বরপুর থানা-পিংলা জেলা-পশ্চিম মেদিনীপুর

সূচিপত্র

আরও দেখান

সপ্তাহের পছন্দ

শব্দছক,ক্যুইজ এবং ধাঁধা ।। কিশলয় ।। 2nd issue: November2021

ছড়া ।। সম্প্রীতি ফুল ।। রিয়াদ হায়দার

ছোটোদের আঁকা ।। মনামি মন্ডল, অহনা বিশ্বাস, সৃজা দাস, সিমিকা বৈরাগ্য

ছড়া ।। তাপের বহর ।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল

ছড়া।। পাখপাখালির মেলা ।। চন্দন মিত্র

ছড়া ।। খুকির রথ দেখা ।। সুব্রত কুণ্ডু ।।

ছড়া ।। অবশেষে ।।বদ্রীনাথ পাল

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪২ ।। মে ২০২৫

আদর মাখানো ভাই ফোঁটা এলো ।। বিবেকানন্দ নস্কর

কবিতা ।। ব্যাঘ্রমশাই ।। দীনেশ সরকার

মাসের পছন্দ

ছড়া ।। তাপের বহর ।। রঞ্জন কুমার মণ্ডল

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪২ ।। মে ২০২৫

প্রচ্ছদ ও সূচিপত্র ।। 20th issue: May 2023

ছড়া ।। ক্ষতি নেই ।। রবীন্দ্রনাথ সামন্ত

ছোটদের আঁকিবুঁকি ।। কিশলয় - ২৪ ।। সেপ্টেম্বর ২০২৩

কবিতা ।। জীবন মানে ।। পাভেল আমান

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছোটদের আঁকিবুঁকি ।। ত্রিত্বারিংশ সংখ্যা ।। জুন, ২০২৫

ছড়া।। পাখির দু'টি ছানা ।। শংকর দেবনাথ

কবিতা ।। খুকির বায়না ।। খগেশ্বর দেব দাস

অতি প্রিয়

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। আত্মপ্রকাশ সংখ্যা ।। অক্টোবর ২০২১

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। দ্বিতীয় সংখ্যা ।। নভেম্বর ২০২১

নিবন্ধ ।। শিশু-কিশোর সাহিত্যবলয়ে শিশুরাই যেন ব্রাত‍্য না থাকে ।। অরবিন্দ পুরকাইত

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 4th issue: January 2022,

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 7th issue: April 2022

নিবন্ধ ।। দেশীয় উদ্ভিদ কেন গুরুত্বপূর্ণ ? ।। ডঃ চিত্তরঞ্জন দাস

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১১ ।। আগস্ট ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১০ ।। জুলাই ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র : 8th issue: May 2022

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১২ ।। সেপ্টেম্বর ২০২২