পোস্টগুলি

ছড়া লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Featured Post

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছবি
  সম্পাদকীয় ছোট্ট বন্ধুরা, কেমন আছো সবাই? পুজোর ছুটি শেষে স্কুল যাওয়া আসা শুরু হয়েছে তোমাদের। বছরের শেষ দিকে পড়াশুনার একটা নতুন উদ্যম  শুরু হয়েছে আশা করি।  শরত শেষে হেমন্তের হাত ধরে ধীরে ধীরে শীতের আগমন ঘটছে। একটু একটু করে শীতের পোশাক চড়াতে হচ্ছে গায়ে। হেমন্তের পড়ন্ত বিকেলে সোনালী ধানের মাঠে মন চুরি যায়। ভোরের কুয়াশায় জড়িয়ে থাকে রাতের স্মৃতি।সকালে শিশিরের স্নাত ঘাসের উপর  পা দিলেই শিহরণ লাগে। শীত আসছে মানেই তো খেজুরের রস,নলেন গুড়। সারা বছর যেন আমরা মুখিয়ে থাকি তাই না? ঋতু যাওয়া আসার মাঝের সময়টাও বেশ মজাদার। বসন্তের মতো হেমন্তও ক্ষণস্থায়ী। যাওয়ার আগে মন উদাস করে দিয়ে যায়। নীল আকাশ আর বাতাসের স্নিগ্ধতায় মন কেমন করা ভাব আসে । মাঠে তখন সোনালী ধানের শীষ দোলে।কৃষকরা ব্যস্ত থাকে ধান কাটায়। চারদিকে ফসলের ঘ্রাণে ভরে ওঠে গ্রামবাংলা। তবে এই ঋতু পরিবর্তনের সময় সাবধানে থেকো সবাই। শরীরের যত্ন নিও।  আগামী শীতে  নবান্ন,পৌষপার্বণের মতো উৎসব অপেক্ষা করে আছে। সেই আনন্দে অবগাহনের আগে পরীক্ষা প্রস্তুতিও সেরে নিতে হবে। তাই না? আর সঙ্গে তো তোমাদের প্ৰিয় কিশলয় প...

বিস্তারিত জানতে ছবিতে ক্লিক করুন :

ছড়া ।। জীবন গড়ো ।। গৌর গোপাল পাল

ছবি
     জীবন গড়ো গৌর গোপাল পাল   জীবনটাকে গড়তে হলে  পড়তে হবে ভাই।  পড়ার কোন বিকল্পনাই  রাখবে মনে তাই।। শিক্ষা আনে মনের মাঝে  নতুন দিনের আলো।  ভবিষ্যতের সকল কাজে  সবাই জানে ভালো ৷৷ হও যদি কেউ বিপথগামী  এই বয়সে এসে।  বিপথগামী হলেই, আমি  জানি যাবেই ভেসে।। জীবন নদীর এইনা বাঁকে  হারিয়ে কেন যাও।  গড়বে যদি জীবনটাকে  এখন পড়ে নাও। ______________________________  গৌর গোপাল পাল বাকুল,লাভপুর  বীরভূম  প:বঙ্গ ভারত সূচক-৭৩১৩০৩       [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। ভুতুড়িয়া ।। বিবেকানন্দ নস্কর

ছবি
  ভুতুড়িয়া বিবেকানন্দ নস্কর  রোম থেকে উড়ে এলো  ভুতেদের যম ভোল্টেজে উবে গেল  ভুতুড়িয়া ভ্রম । ভুতুড়িয়া আলসে ভুত নেই পালসে  যুগে যুগে ভুত গুলো  টক মিঠে ঝাল সে । ঠক ঠক কাঁপনে  ভুতুড়িয়া যাপনে  টুক করে উঁকি দেয় রঙ চটা স্বপনে । প্রেতাত্মা প্রেত লোক  ভুত নিয়ে টকশো ভুতুড়িয়া সিরিয়াল  একেবারে ফ্লপ শো । __________________________   বিবেকানন্দ নস্কর  সম্পাদক -ছন্দের ঘ্রাণ পত্রিকা  সন্তোষ পুর  পোঃ চাঁদ পালা  ফলতা  দ:২৪ পরগনা  পিন -743503       [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। ব্যাঙ ও বৃষ্টি ।। আশীষ কুমার বিশ্বাস

ছবি
   ব্যাঙ ও বৃষ্টি       আশীষ  কুমার  বিশ্বাস ওই দেখো কালো মেঘ বৃষ্টির ধারা সব ব্যাঙ গান ধরে আত্ম হারা । অভিনব এই গান কোরাসের সুরে বৃষ্টিতে মহামিলন কেউ নেই দূরে । আজ হবে লংজাম্প শুরু হোক দেখি লাইনে দাঁড়িয়ে পড় সেই ছবি আঁকি । কোলা ব্যাঙ ফাস্ট হল সোনা ব্যাঙ ফেল আনন্দে কোলা ব্যাঙ গায়ে মাখে তেল । বৃষ্টি থেমেছে যখন সব খেলা শেষ যে যার ঘরে ফেরা নিস্তব্দ পরিবেশ । ______________________            [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। স্বর্গসুখ ।। দীনেশ সরকার

ছবি
স্বর্গসুখ  দীনেশ সরকার  পাখির মতো আমার যদি  থাকতো দুখান ডানা  দেখতাম আকাশ ঘুরে ঘুরে  শুনতাম না তো মানা। ডেকে ডেকে বলতো মা যে, 'যাস  নে খোকা দূরে, বড্ড আমার ভয় করছে  আয় না একটু ঘুরে।' বলতাম আমি, 'ভয় কী গো মা, ওই তারাদের ভীড়ে  যতই আমি যাই না কেন  আসবো ঠিকই ফিরে। তোমার কোলের পরশ মা গো  বলো কোথায় পাবো  তোমার কোলের স্বর্গসুখ মা, ছেড়ে কোথায় যাবো?' ____________________________________   দীনেশ সরকার, ১৪০ ডি, হিজলী  কো-অপারেটিভ সোসাইটি, প্রেমবাজার, খড়গপুর,  পশ্চিম মেদিনীপুর - ৭২১৩০৬     [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। হেমন্তের একদিন ।। অজিত কুমার জানা

ছবি
    হেমন্তের একদিন অজিত কুমার জানা  শীত আসছে হেমন্ত তাই,       লিখছে শীতের ছড়া।  সকাল-বিকেল উত্তরে হাওয়া ,         নাড়ছে দরজার কড়া।। শিশির সকাল সোনার ধানে,       রোদের চাদর ফেলে। হেঁটে বেড়ায় মাঠে মাঠে,       খুশির ডানা মেলে।। পাখি ডাকে, ফুল ফুটে,       আকাশে ওড়ে চিল। হেমন্ত সকাল আনছে বয়ে,         শীতের সূচনার রিল।। নয় ঠান্ডা, নয় গরম,     বসন্ত সাজ গায়ে।  শীতের শিশু হাসছে যেন,       হেমন্তকে সাথে নিয়ে।। ______________________________  অজিত কুমার জানা,  গ্রাম +পোষ্ট-কোটরা,  থানা-শ্যামপুর, জেলা-হাওড়া,  পিন-৭১১৩০১, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।  [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। শত কষ্টে দিও মাগো ।। দিলীপ কুমার পাত্র

ছবি
    শত কষ্টে দিও মাগো দিলীপ কুমার পাত্র  মা বিনা তো লাগে ফাঁকা আপন বসত ঘর জীবন চলার পথে মাগো দাও গো আমায় বর।  তুমি বিনা এই ধরাতে সুখী কভু নই তোমার চোখে দেখলে যে জল কেমন করে সই?  যত বড় হই না আমি করি যদি ভুল ক্ষমা যদি না করো তো হারাই জীবন কূল।  তুমি বিনা জগৎ মাঝে খুশির হওয়া নাই শত কষ্ট দিও মাগো চরণতলে ঠাঁই। ________________________________    দিলীপ কুমার পাত্র [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

গল্প ।। আলোয় ফেরা ।। অর্পিতা মল্লিক

ছবি
আলোয় ফেরা অর্পিতা মল্লিক  ফুলের মতো সুন্দর ফুটফুটে দুই মেয়ে রুম্পি আর পম্পিকে নিয়ে সুখের সংসার কণিকা ও সুজনের। শহরতলীর এক আবাসনের আট তলায় নিজেদের সাজানো গোছানো ফ্ল্যাটে রোজকার কর্মব্যস্ততার মধ্যেও পারস্পরিক নির্ভরতা , টান-- সুগন্ধি ফুলের গন্ধর মতো লেগে থাকতো সবসময় ।রুম্পি ক্লাস এইটে পড়ে ,ওর আঁকার হাত দারুন , একটু ছটফটে তবে অঙ্কভীতি কিছুতেই যায় না।পম্পি উচ্চ মাধ্যমিক দিয়েছে। ছোট থেকেই লেখাপড়ায় খুব‌ই ভালো, গানের গলাও ভালো -- এখন পড়াশোনার চাপে বিরতি নিয়েছে কিছুদিনের জন্য।ওর ডাক্তার হবার ইচ্ছে তাই 'নিট' পরীক্ষা দিয়েছে।  কণিকা সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা , ওর স্কুলটা ওদের বাড়ি থেকে দুরে হবার কারণে সংসার, মেয়েদের বেশি সময় দিতে পারে না সেকারণে মনোকষ্টে ভোগে। ওদের বাবা সুজন হাসিখুশি দায়িত্ববান , এককথায় 'পারফেক্ট ফ্যামিলি ম্যান'। নিজের অফিস সামলে মেয়েদের সময় দেন। এভাবেই বাবা মা নিজেদের দায়িত্ব ভাগ করে ঘর সংসারে ভারসাম্য রেখে চলছিল। পম্পির পরে রুম্পি হলে আত্মীয় স্বজন বলেছিল ,"আবার মেয়ে হলো , এবার দুবোনের খুব চুলোচুলি হবে"-- কিন্তু তা নস্...

ছড়া ।। সেদিন ভোরে ।। বদ্রীনাথ পাল

ছবি
সেদিন ভোরে  বদ্রীনাথ পাল সেদিন ভোরে তারস্বরে শেয়ালদহের শেয়াল- সা রে গা মা সুরে জোরে উঠলো গেয়ে খেয়াল। সে সুর শুনে গুনে গুনে বাগেরহাটের বাঘ- পাঁচটা এসে হাজির হলো ত্যাগ করে সব রাগ। বকখালিতে বক উড়লো মেললো সাদা ডানা- সোঁদরবনে রইলোনা কেউ করবে তারে মানা ! বৈঁচিপোতার সেই বেচারাম কানে গুঁজে তুলো- হুড়মুড়িয়ে ছুট লাগালো উড়িয়ে পথের ধুলো ! বলবো কি আর, নেইকো বলার সেই ঐকতানে- দাদুর আমার ভাব উঠলো, তুললো তুফান প্রাণে। সুরের মায়া তালের ছায়া তাকে টেনে নিয়ে- হাজির হলো সোজা ওরা চাঁদের দেশে গিয়ে ! __________________________________     বদ্রীনাথ পাল বাবিরডি, জেঃ-পুরুলিয়া। [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

ছড়া ।। তিনি আমার শিক্ষাগুরু ।। ইলিয়াস পাটোয়ারী

ছবি
  তিনি আমার শিক্ষাগুরু  ইলিয়াস পাটোয়ারী  যে করেছেন জ্ঞানের আলো এই আমাকে দান যিনি আমার জ্ঞানের প্রদীপ  আমার প্রাণের প্রাণ- আলো কালো, মন্দ ভালো  শিখলাম কাছে যাঁর  দূর করেছেন যিনি আমার  মনের অন্ধকার- কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক কীসে শান্তি সুখ  কী করলে হয় আলোকিত  বিশ্ব লোকে মুখ- কী করলে যায় মানুষ হওয়া  মানব মনে স্থান  যায় পাওয়া যায় সে শিক্ষাও  করলেন যিনি দান- তিনি আমার শিক্ষাগুরু  শ্রদ্ধা সবিশেষ  তাঁর অবদান লিখে করা  যায় না কভু শেষ।  _________________________    এয়ার আলী মসজিদ বাই লেন, কমার্স কলেজ রোড,  মতিয়ার পুল, চট্টগ্রাম-৪১০০, বাংলাদেশ। [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

ছড়া ।। ভাবনা ।। সুশান্ত সেন

ছবি
  ভাবনা সুশান্ত সেন   কাক ডাকা ভোর করে তোড়জোড়      এই দেখ রাস্তায় হাটছি, নির্মল সে বায়ু বাড়ায় যে আয়ু       বসে না থেকে দেখ খাটছি। যত দিন যায় চার দিকে হায়         দিনে দিনে দূষণ যে বাড়ছে, নিজে হাতে তাই দূর কর ভাই          উৎসের মূল ধরে খামচে। প্লাস্টিক ব্যাগ কর সব ত্যাগ        সব যায় অন্তিমে সাগরে প্রাণ দায়ী জল হবে যে বিকল         প্রজন্ম সব আজ জাগরে । ______________________ সুশান্ত সেন  ৩২ বি, শরৎ বোস রোড  কলিকাতা,৭০০০২০ [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। এসো আলো ।। গোবিন্দ মোদক

ছবি
  এসো আলো গোবিন্দ মোদক প্রাণের আলো চোখের আলো  আলোয় ভরা মন,  আলোর বিশ্ব আলোর ভুবন  আলো আপনজন। ঘরে আলো বাড়িতে আলো  আলোয় বিশ্ব ভরা,  বিশ্ব-প্রকৃতি আলোয় মাখা  আলোয় পৃথ্বী গড়া। সাতটি আলোর বর্ণালী রঙ  মুগ্ধতা-বোধ আঁকা,  প্রজাপতির রঙিন ডানায়  হাজার আলো মাখা।  হে ঈশ্বর তোমার আলো  সবার প্রাণে দিও,  সেই আলোতেই ভুবন ভরুক  প্রণাম আমার নিও। ___________________________ গোবিন্দ মোদক রাধানগর, ডাক- ঘূর্ণি, কৃষ্ণনগর, নদিয়া।  পশ্চিমবঙ্গ, ডাকসূচক - 741103 WhatsApp: 8653395807 Phone: 7044404333 email id: modakgobinda001@gmail.com গোবিন্দ মোদক [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

ছড়া ।। আশ্বিনে ঝড় ।। হারান চন্দ্র মিস্ত্রী

ছবি
আশ্বিনে ঝড় হারান চন্দ্র মিস্ত্রী আশ্বিনে মেঘ আকাশ ঢাকে বৃষ্টি ঝরে পড়ে সকাল থেকে সকল শিশু আটকে আছে ঘরে। গাছ গাছলি ভেজে ভিজুক ওদের শোভা বাড়ে পশু পাখির কষ্ট প্রচুর বৃষ্টি খাবার কাড়ে। গাছের ডালে "কা কা" রবে কাঁদছে ভিজে কাকে পায় যদি সে বাসি রুটি খেতে হবে তাকে। মাখে মাঝে দমকা হাওয়ায় গাছের শাখা নুয়ে, আশ্বিনে ঝড় সয় না গায়ে পড়ছে কিছু শুয়ে। জ্বেলে ডিঙি দুলছে ঢেউয়ে মোচার খোলের মত দূরের গাঁয়ে বানের জলে ঘর ভেসেছে যত। ঝড়ের গতি বাড়ছে যত বুকে কাঁপন ধরে, বলেছে মা বইবে বাতাস আরো প্রবল জোরে। ছোটরা কেউ পথে ঘাটে বের হয়ো না হেসে, ঝড়ের বেগে যাবে উড়ে নয়তো বানে ভেসে। _______________   হারান চন্দ্র মিস্ত্রী গ্রাম ও পো: - আমতলা, থানা - ক্যানিং, জেলা - দক্ষিণ ২৪ পরগনা।  [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। সুখের খণি ।। অজিত কুমার জানা

ছবি
  সুখের খণি অজিত কুমার জানা   দুর্গা গেল, লক্ষ্মী এলো,  পূজবে সবাই ঘরে মাকে।  ভক্তি ভরে পূজলে বারে,  সাড়া দেবে এক ডাকে।। দুঃখ-ব্যথা যাবে চলে,  সুখ-শান্তি আসবে ঘরে। তাইতো সবাই লক্ষ্মী মাকে,  ভক্তি ভরে পূজো করে।। পূজলে দেবী লক্ষ্মী মাকে,  মনে পাবে সাহস বল। কর্ম করে এগিয়ে যাবে,  হাতে হাতে পাবে ফল।। লক্ষ্মী দুর্গার শান্ত রূপ, মায়া,মমতা, স্নেহের রাণী। লক্ষ্মী ঘরে থাকলে বারে,  সংসার হবে সুখের খণি।। __________________ অজিত কুমার জানা গ্রাম +পোষ্ট-কোটরা, থানা-শ্যামপুর,  জেলা-হাওড়া, পিন-৭১১৩০১,পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।  [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। মায়ের আশীষ ।। বিদ্যুৎ মিশ্র

ছবি
  মায়ের আশীষ বিদ্যুৎ মিশ্র কী স্নিগ্ধ দৃষ্টি তোমার মায়ায় ভরা মুখ চোখের তারায় মনটা হারায় পাই যে ভীষণ সুখ। সন্ধ্যা নামে যখন তুমি দাও এলিয়ে চুল হাজার তারার ঝিকিমিকি তোমার কানের দুল। নীল রঙের ওই টিপটি যেন আলপনা ঠিক আঁকা মা গো তোমায় ভালো দেখে আমার ভালো থাকা। আশীষ আমায় দাও তুমি মা মিষ্টি হাসি ঠোঁটে সারা জীবন পাশে থেকো এটুকুই চাই মোটে। শাড়ির আঁচল আঁকিবুকি টুপটাপ ফুল ঝরে তোমার কোলে মাথা রেখে ঘুমাই ইচ্ছে করে। _______________________________   কাশীপুর, পুরুলিয়া। [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া।। পড়লো কাঠি ঢাকে ।। দিলীপ কুমার পাত্র

ছবি
  পড়লো কাঠি ঢাকে দিলীপ কুমার পাত্র নীল গগনে রঙের খেলা বইছে পবন কাশে  রাজীব শালুক দিঘি জলে খিলখিলিয়ে হাসে। কাঠামো তে মাটির প্রলেপ স্কুলও কলেজ ছুটি কুমোরটুলি ঠাকুর গড়ায় রাখে না তো ত্রুটি।  রবির কিরণ ঝলমলিয়ে শিউলি সুবাস ছড়া আগমনীর সুরে ধরা  খুশিতে মন ভরায়।  গজে চড়ে আসবে উমা ঘুচবে সকল আঁধার ছেলে-মেয়ে পতি নিয়ে ছোটায় রূপের বাহার।  মেঘের কোণায় তুলি দিয়ে মজার কথা লিখে শঙ্খ বাজে কাঁসর বাজে আজকে চতুর্দিকে। বছর ঘুরে আসছে ওমা পড়লো কাঠি ঢাকে শরৎ রানী সুবাস ছড়ায় কেউ কি ঘরে থাকে? ____________________     দিলীপ কুমার পাত্র ময়না,পূর্ব মেদিনীপুর,পশ্চিমবঙ্গ।  [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

ছড়া ।। পুজো এসেছে ।। শংকর হালদার

ছবি
  পুজো  এসেছে  শংকর হালদার  পুঞ্জ মেঘের শুভ্রভেলা  শিউলি-কাশে  লাগল দোলা। পুজো এসেছে। বাজল সানাই সুদূর পানে  জাগল আশা সবার-ই  প্রাণে। পুজো এসেছে। কুমোর হাতে উমা-সাজে হৃদয় পাড়ে বাদ্যি বাজে। পুজো এসেছে। বাউল মনে খুশির হাওয়া আগমনি'র  গান গাওয়া। পুজো এসেছে। শরৎ ঘাসে চরণ ধুয়ে করব প্রণাম মাথা নুয়ে। মা এসেছে। ভরল জলে চোখের তারা  অঞ্জলি'নে দু'হাত ভরা। মা এসেছে। __________________   শংকর হালদার দাড়া,জয়নগর,দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারতবর্ষ,৭৪৩৩৩৭ [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। সোনা ব্যাঙের বিয়ে ।। সামসুন্নাহার ফারুক

ছবি
সোনা ব্যাঙের বিয়ে সামসুন্নাহার ফারুক কোলা ব্যঙের মেয়ের সাথে সোনা ব্যাঙের বিয়ে,  বর আসবে পালকি চড়ে ফুলের সাজি নিয়ে।  সঙ্গে যাবে বরযাত্রী সবুজ রঙা টিয়ে, মন্ডা -মিঠাই সাথে যাবে মালাই ভাজা ঘিয়ে।  ঢাক ঢোলক কাঁসর সাথে হাতির পিঠে চড়ে, কইন্যা যাবে বরের বাড়ী গয়না-গাঁটি পরে।  জলার ধারে বুড়ো ভোদড় গাইবে নাকি গান, শিয়াল মামা হাঁক ছেড়েছে তবলা বায়া আন। হঠাৎ করেই শুরু হলো  ঝিরি ঝিরিবৃষ্টি, বিয়ের আসর জমে গেল হলো শুভদৃষ্টি।  _________________   সামসুন্নাহার ফারুক সিদ্দিকী হাউস,  ২৯৬ এলিফ্যান্ট রোড,  ঢাকা-১২০৫ [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। একা একা ।। অমিত কুমার রায়

ছবি
  একা একা অমিত কুমার রায় ছোট্ট খোকা খেলছে মাঠে  একা একা একা তাও কখনো হয়? খোকার সাথে আছে যে বল সাথী সে নিশ্চয়! একা একা উড়ছে ঘুড়ি  মিছে কথা ভাই তার সঙ্গে আছে সুতো হাতে যে  লাটাই! একা একা হাসছো তুমি? সঙ্গে হাসে দাঁত একা একা কাঁদলে যে হয়  চোখে অশ্রু পাত! দাঁতও আছে চোখও আছে  সঙ্গে আছো তুমি  একা একা যায় কি থাকা  সঙ্গে মায়ের চুমি। ________________     ঝিখিরা,  হাওড়া   পশ্চিমবঙ্গ। [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]

ছড়া ।। শিকার ধরে ব্যাঙ ।। রানা জামান

ছবি
শিকার ধরে ব্যাঙ রানা জামান  বর্ষাকালের অঝোর ধারায়  জলে ভরা ডোবা খুশির তোড়ে ব্যাঙের গুষ্ঠি  থাকে না আর বোবা। ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ডেকে ডেকে এদিক-ওদিক তাকায় ছাতার তলায় মশা দেখে ধীরে গোঁফটা পাকায়। ভাঁজটা খুলে লম্বা জিভের ছুঁড়ে মারে দূরে চতুর মশা বুঝতে পেরে আশি ডিগ্রি ঘুরে। উড়াল দিয়ে যেই না মশা আসে ছাতার বাইরে ডানায় বৃষ্টির পানি লাগায় ভাগার উপায় নাই রে। শিকার ধরে ব্যাঙটি আসে ব্যাঙের ছাতার তলে পেটটা পুড়ে শিকার খেয়ে লাফিয়ে যায় জলে। ____________________     রানা জামান ঠিকানা: আনিলা টাওয়ার বাড়ি#১৮-১৯; সড়ক#৩; ব্লক#আই;  বড়বাগ, মিরপুর-২;   ঢাকা-১২১৬; বাংলাদেশ ।   [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

ছড়া ।। শরতের গান ।। অর্ণব সামন্ত

ছবি
শরতের গান  অর্ণব সামন্ত  আলোর বাঁশি কে বাজালো শিউলি ঝরার বেলা ?  আদিগন্ত কাশের হাসি ভুলিয়ে দেয় কষ্ট , নীলাকাশের বুকে চলে সাদা মেঘের উড়ান  পদ্ম ফোটে সরোবরে খুশিটি তার স্পষ্ট । কে কেঁদেছে ধরার বুকে দিয়ে মাথা রাতে ? অশ্রুশিশির তাই ঝরেছে ঘাসে , পদ্মবুকে ,  সকল ভুলে শরৎ জাগে আলোর গানের সুরে  মনে হাজার দুঃখ নিয়ে থাকে সুখের সুখে । ঢাকের বাদ্যি বেজে ওঠে দিগ্বিদিকে হঠাৎ  হৃদয় মাঝে কেউ দিয়েছে আনন্দময় হিল্লোল ,  মনের মধ্যে আলোর রাশি ঝলোমলো করে আয়তো শিউলি পদ্ম কাশ সবার মনে দে দোল্ দোল্ । ____________________________________   অর্ণব সামন্ত গোরখারা, লাঙ্গলপাড়া পোস্ট-- সোনারপুর দক্ষিণ ২৪ পরগানা কোল - 150  [চিত্রঃ : ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে সংগৃহীত ]  

সূচিপত্র

আরও দেখান

সপ্তাহের পছন্দ

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

কবিতা ।। শিশুদের রথযাত্রা ।। মিঠুন মুখার্জী

কবিতা ।। সফলতা ।। জগন্নাথ ভট্টাচার্য

গল্প ।। মামা বাড়ি ভারি মজা ।। মিঠুন মুখার্জী

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪২ ।। মে ২০২৫

ছড়া ।। খুশি হয় ।। আসগার আলি মণ্ডল

দুটি ছড়া ।। রথীন পার্থ মণ্ডল

কবিতা ।। জীবন মানে ।। পাভেল আমান

কবিতা ।। ভালোবাসার সেবক ।। আনন্দ বক্সী

কবিতা ।। বোন ।। আব্দুল্লাহ আল নোমান

মাসের পছন্দ

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয়-৪৮ নভেম্বর, ২০২৫

ছড়া।। পাখপাখালির মেলা ।। চন্দন মিত্র

দুটি ছড়া ।। রথীন পার্থ মণ্ডল

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪২ ।। মে ২০২৫

কবিতা ।। শিশুদের রথযাত্রা ।। মিঠুন মুখার্জী

কবিতা ।। সফলতা ।। জগন্নাথ ভট্টাচার্য

কবিতা ।। বোন ।। আব্দুল্লাহ আল নোমান

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় ৪৩ ।। জুন ২০২৫

ছড়া ।। ধিনাক্ নাতিন তিনা ।। অশেষ মাজি

গল্প ।। মামা বাড়ি ভারি মজা ।। মিঠুন মুখার্জী

অতি প্রিয়

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। আত্মপ্রকাশ সংখ্যা ।। অক্টোবর ২০২১

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। দ্বিতীয় সংখ্যা ।। নভেম্বর ২০২১

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 4th issue: January 2022,

নিবন্ধ ।। শিশু-কিশোর সাহিত্যবলয়ে শিশুরাই যেন ব্রাত‍্য না থাকে ।। অরবিন্দ পুরকাইত

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। 7th issue: April 2022

নিবন্ধ ।। দেশীয় উদ্ভিদ কেন গুরুত্বপূর্ণ ? ।। ডঃ চিত্তরঞ্জন দাস

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১১ ।। আগস্ট ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১০ ।। জুলাই ২০২২

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র : 8th issue: May 2022

প্রচ্ছদ, সম্পাদকীয় ও সূচিপত্র ।। কিশলয় - ১২ ।। সেপ্টেম্বর ২০২২